গাজীপুর , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
গাজীপুরে কলেজছাত্রী অপহরণ, বিয়ে ও ধর্ষণের অভিযোগ চসিকের নতুন নির্দেশনা: ডোর–টু–ডোর বর্জ্য সংগ্রহে ভেন্ডরকে টাকা নয় গাজীপুরে অবৈধ মাটি কাটার মহোৎসব: কৃষি জমি ও পরিবেশের ক্ষতি শ্রীপুর রাজাবাড়ী বাজার ইজারা: দুর্নীতি অভিযোগ মিথ্যা সালথায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবন্ধকতায় হামলা, গ্রেপ্তার মূল আসামি বিরামপুরে হোয়াটসঅ্যাপ প্রতারণা: ২ প্রতারক গ্রেপ্তার, ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ আড়াইহাজারে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও জরিমানা, ১ লাখ টাকা দণ্ড পীরগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্কাউট দিবস পালিত শিবগঞ্জ সড়ক দুর্ঘটনা: এক ভাই নিহত, অপরজন গুরুতর আহত আড়াইহাজারে এক রাতে তিন বাড়িতে ডাকাতি, আতঙ্ক
ভোটের হাওয়া

সালথায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবন্ধকতায় হামলা, গ্রেপ্তার মূল আসামি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১৭ ঘন্টা আগে
  • ১৮ Time View

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্য সহিদুল ইসলাম সোহেল এর উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মো. নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাস গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি ভাওয়াল পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে নুরুকে হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। হামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল। সালথা থানার ওসি মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হামলার মূলহোতা নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ঘটনা ঘটেছে ৮ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে। সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা সহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় সহিদুলের বড় ভাই বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হামলার মূল কারণ ছিল স্থানীয়ভাবে মাদক সেবন ও বিক্রির বিরুদ্ধে সহিদুলের কার্যক্রম। পুলিশ আশা করছে দ্রুতই অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সালথা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাসকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

সালথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে। এই ধরণের ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ একসাথে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম দমন করা সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে কলেজছাত্রী অপহরণ, বিয়ে ও ধর্ষণের অভিযোগ

সালথায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবন্ধকতায় হামলা, গ্রেপ্তার মূল আসামি

Update Time : ১৭ ঘন্টা আগে

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্য সহিদুল ইসলাম সোহেল এর উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মো. নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাস গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি ভাওয়াল পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে নুরুকে হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। হামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল। সালথা থানার ওসি মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হামলার মূলহোতা নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ঘটনা ঘটেছে ৮ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে। সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা সহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় সহিদুলের বড় ভাই বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হামলার মূল কারণ ছিল স্থানীয়ভাবে মাদক সেবন ও বিক্রির বিরুদ্ধে সহিদুলের কার্যক্রম। পুলিশ আশা করছে দ্রুতই অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সালথা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাসকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

সালথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে। এই ধরণের ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ একসাথে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম দমন করা সম্ভব।