গাজীপুর , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সোনাপুর ইউনিয়ন মেম্বার প্রার্থী ছাব্বির হোসেনের উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি নওগাঁয় ব্র্যাক প্রাইজ প্রকল্পের কারিগরি প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ ব্র্যাকের প্রশিক্ষণে দুধ উৎপাদন ও গাভী পালনে দক্ষতা বৃদ্ধি ধনবাড়ীতে ৫ বছরে ১২ লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত কালিয়াকৈরে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু: নলুয়া এলাকায় হৃদয়বিদারক ঘটনা নাসিরনগরে অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃ/ত্যু ঢাকা ডিসি অফিস পিয়ন ফিরোজ: চাঁদাবাজি-জমি দখল তদন্ত শুরু কালিয়াকৈরে প্রিপেইড মিটার সমস্যায় পল্লী বিদ্যুৎ ভোগান্তি চরমে গণরায় বাস্তবায়ন ও চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমানের কঠোর বার্তা বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের সিভিল টিমের চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন

সালথায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবন্ধকতায় হামলা, গ্রেপ্তার মূল আসামি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ Time View

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্য সহিদুল ইসলাম সোহেল এর উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মো. নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাস গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি ভাওয়াল পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে নুরুকে হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। হামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল। সালথা থানার ওসি মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হামলার মূলহোতা নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ঘটনা ঘটেছে ৮ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে। সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা সহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় সহিদুলের বড় ভাই বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হামলার মূল কারণ ছিল স্থানীয়ভাবে মাদক সেবন ও বিক্রির বিরুদ্ধে সহিদুলের কার্যক্রম। পুলিশ আশা করছে দ্রুতই অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সালথা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাসকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

সালথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে। এই ধরণের ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ একসাথে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম দমন করা সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সোনাপুর ইউনিয়ন মেম্বার প্রার্থী ছাব্বির হোসেনের উন্নয়ন ও প্রতিশ্রুতি

সালথায় মাদক সেবন ও বিক্রির প্রতিবন্ধকতায় হামলা, গ্রেপ্তার মূল আসামি

Update Time : ০৭:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্য সহিদুল ইসলাম সোহেল এর উপর হামলার ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মূল আসামি মো. নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাস গট্টি ইউনিয়নের রঘুয়ারকান্দী এলাকা থেকে আটক করা হয়। তিনি ভাওয়াল পশ্চিমপাড়া এলাকার আলী বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজে নুরুকে হামলার নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। হামলার পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল। সালথা থানার ওসি মোঃ বাবলুর রহমান খান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হামলার মূলহোতা নুরুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

ঘটনা ঘটেছে ৮ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে। সালথা বাজারের জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা সহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় সহিদুলের বড় ভাই বাদী হয়ে সালথা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, হামলার মূল কারণ ছিল স্থানীয়ভাবে মাদক সেবন ও বিক্রির বিরুদ্ধে সহিদুলের কার্যক্রম। পুলিশ আশা করছে দ্রুতই অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।

সালথা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত নুরু বিশ্বাসকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে।

সালথায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে। এই ধরণের ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো স্থানীয় জনগণ ও পুলিশ একসাথে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম দমন করা সম্ভব।