
রাঙামাটিতে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে আবারও শুরু হয়েছে বড় পরিসরের খাল খনন কর্মসূচি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলের পানির সংকট কমানো এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
গত রোববার সকালে রাঙামাটির সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা খালগুলো আবারও খননের মাধ্যমে সচল করা হচ্ছে।
এই রাঙামাটি খাল খনন প্রকল্পের আওতায় মোট চারটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো সাপছড়ি, কুতুকছড়ি, বন্দুকভাঙ্গা এবং বালুখালী। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রায় ৩৩ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কৃষির উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি বড় পদক্ষেপ। খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হলে সেচ সুবিধা বাড়বে, মাছ চাষ বৃদ্ধি পাবে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রকল্পটি স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। এলজিইডির প্রকৌশলীরা কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছেন।
স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন, এই খাল খননের ফলে তাদের জমিতে সেচ সুবিধা সহজ হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। এতে পাহাড়ি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সব মিলিয়ে এই খাল খনন কর্মসূচি রাঙামাটির কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

Reporter Name 









