গাজীপুর , রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি তেলিপাড়ায় বাল্যবিবাহ ও কাজী অফিসে অনিয়ম নরসিংদীতে ভুয়া ভূমি কর্মকর্তা সেজে ২১ লাখ টাকা আত্মসাৎ, পাপন গ্রেফতার কাশিপুর থানার উদ্যোগে নিখোঁজ বৃদ্ধা উদ্ধার চট্টগ্রামে হাম উপসর্গে শিশুমৃত্যু: নেই হাম পরীক্ষার ল্যাব, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি দিনাজপুর সীমান্তে ফেন্সিডিল জব্দ: ৪২ বিজিবি অভিযান সফল বিরামপুর বালি উত্তোলন: কৃষি ক্ষতির ঝুঁকিতে ফসলি জমি চট্টগ্রামে চোলাই মদের কারখানায় অভিযান, গ্রেপ্তার ৬ গাজীপুরে খাল খনন কর্মসূচি শুরু, জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় উদ্যোগ পাহাড়ি শিক্ষা উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তায় মামুনী চাকমার সংগ্রাম
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

বিরামপুর বালি উত্তোলন: কৃষি ক্ষতির ঝুঁকিতে ফসলি জমি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩ Time View

দিনাজপুরের বিরামপুরে কাটলা ইউনিয়নের চৌঘরিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিরামপুর বালি উত্তোলন হচ্ছে অবৈধভাবে। স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর তার নিজস্ব জমির অজুহাতে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন। এই কার্যক্রম শুধু জমির ওপর নয়, আশপাশের ফসলি জমি এবং পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দিনে-রাতে চলা বালি উত্তোলনের কারণে তাদের জমি ফাটল ধরছে এবং অনেক অংশ চাষের উপযোগী থাকছে না। ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি করছেন, দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনুমতি ছাড়া জমি থেকে বালি উত্তোলন করলে ভূমির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এতে জলাবদ্ধতা, মাটির উর্বরতা হ্রাস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ে।

সরকারি আইন অনুযায়ী, কৃষিজমি থেকে বালি উত্তোলন করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া বালি উত্তোলনের জন্য জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে কিছু ব্যক্তি আইন উপেক্ষা করে অবাধে বালি ব্যবসা চালাচ্ছেন।

এলাকার কৃষকরা এবং সচেতন নাগরিকরা উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ চাচ্ছেন। তারা বলছেন, “আমাদের ফসলি জমি বাঁচাতে অবৈধ বালি উত্তোলন এখনই বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।” প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়া ভবিষ্যতে পুরো এলাকার কৃষি এবং পরিবেশ বিপন্ন হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী: তেল ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি

বিরামপুর বালি উত্তোলন: কৃষি ক্ষতির ঝুঁকিতে ফসলি জমি

Update Time : ০১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুরে কাটলা ইউনিয়নের চৌঘরিয়া জিরো পয়েন্ট এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিরামপুর বালি উত্তোলন হচ্ছে অবৈধভাবে। স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর তার নিজস্ব জমির অজুহাতে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছেন। এই কার্যক্রম শুধু জমির ওপর নয়, আশপাশের ফসলি জমি এবং পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, দিনে-রাতে চলা বালি উত্তোলনের কারণে তাদের জমি ফাটল ধরছে এবং অনেক অংশ চাষের উপযোগী থাকছে না। ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি করছেন, দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনুমতি ছাড়া জমি থেকে বালি উত্তোলন করলে ভূমির ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এতে জলাবদ্ধতা, মাটির উর্বরতা হ্রাস এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ে।

সরকারি আইন অনুযায়ী, কৃষিজমি থেকে বালি উত্তোলন করা সম্পূর্ণ বেআইনি। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া বালি উত্তোলনের জন্য জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে কিছু ব্যক্তি আইন উপেক্ষা করে অবাধে বালি ব্যবসা চালাচ্ছেন।

এলাকার কৃষকরা এবং সচেতন নাগরিকরা উপজেলা প্রশাসন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ চাচ্ছেন। তারা বলছেন, “আমাদের ফসলি জমি বাঁচাতে অবৈধ বালি উত্তোলন এখনই বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা উচিত।” প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়া ভবিষ্যতে পুরো এলাকার কৃষি এবং পরিবেশ বিপন্ন হবে।