
স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়ার একটি পরিবারের বিরুদ্ধে ভয়ংকর প্রবাসী প্রতারণা ও আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী শহিদুল ইসলামকে বিয়ের নাটক ও জাল কাবিননামার মাধ্যমে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
তারপরেও ঘটনা থেমে থাকেনি। নতুন তথ্য অনুযায়ী, মামলার প্রধান আসামি মিম আক্তার বাদীর ভাবিকে প্রস্তাব দেন যে, তার স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার বিনিময়ে ২ লাখ টাকা দিতে হবে। সরল বিশ্বাসে বাদীর ভাবি আসামীকে টাকা প্রদান করেন। কিন্তু টাকা পাওয়ার পর মিম আক্তার ভুয়া ডিভোর্স লেটার দেখিয়ে পুনরায় প্রতারণা করেন।
ঘটনার পর অভিযুক্তরা আরও নতুন ফন্দি আঁটেন। তারা শহিদুল ইসলামকে মামলা তুলে নিলে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু প্রক্রিয়া শুরু হলে তারা সরাসরি অস্বীকার করে এবং টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে।
বেগতিক অবস্থায় প্রবাসী শহিদুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখেন এবং অভিযুক্ত মিম আক্তার, তার মা রেশমা আক্তার ও বাবা ভুট্টু মিয়ারের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মডেল থানাকে নির্দেশ দেন।
আদালত আগামী ৪ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন। পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে পুরো ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
স্থানীয়রা এই ঘটনার ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্রবাসীদেরকে অনলাইন বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের মাধ্যমে প্রস্তাবিত লেনদেনের ক্ষেত্রে সাবধান হতে বলা হয়েছে।
মামলার প্রক্রিয়া এবং তদন্তের ফলাফল ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত জানানো হবে। তবে, ইতিমধ্যেই এই বগুড়া জালিয়াতি কেসটি সামাজিকভাবে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

Reporter Name 









