
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় একটি ভয়াবহ বড়াইগ্রামে ডাকাতি ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘবদ্ধ হামলায় গর্ভবতী নারীকে মারধর, শিশুকে হত্যাচেষ্টা এবং নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪৮) বড়াইগ্রাম থানায় দায়ের করা মামলায় জানান, গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ ভোর প্রায় ৪টার দিকে ভরতপুর গ্রামের মোঃ রহমানসহ ৬ জন নামীয় এবং আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তার জামাতা মোঃ ইদ্রিস আলীর বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। তারা ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় হামলাকারীরা ঘরে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে মোছাঃ জুলেখা খাতুন (২৬)-এর ওপর নির্মম নির্যাতন চালায়। এই গর্ভবতী নারী নির্যাতন ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং তার গর্ভপাত ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
একই ঘটনায় জুলেখার ৫ বছর বয়সী ছেলে মোঃ জুবায়েরের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
পরবর্তীতে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। জুলেখার অবস্থার অবনতি হলে তাকে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সময় এলাকাবাসী এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় বড়াইগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।

Reporter Name 









