গাজীপুর , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকবিরোধী সমাবেশে জিরো টলারেন্স ঘোষণা নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার। গৌরনদী ইউএনও ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অভিযোগ রাঙ্গামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার গাজীপুর কোনাবাড়িতে ব্যবসায়ী অপহরণ, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট: ইভটিজিংয়ে জেল, মাটি কাটায় জরিমানা নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে জিরো টলারেন্সে ইয়াবাসহ আটক ১ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সভা মিরপুরে অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি

বাংলাদেশ পুলিশ–এর শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩ Time View

সম্ভাব্য তালিকায় আনসার উদ্দিন খান পাঠান

অফিস ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ–এর শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশ সদরদপ্তর ও প্রশাসনিক মহলে নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। যদিও এ বিষয়ে সরকারিভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে।

এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠান–এর নাম। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–এর তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ বাহিনীতে দীর্ঘ কর্মজীবনে আনসার উদ্দিন খান পাঠান একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। ২০২২ সালে অবসর গ্রহণের আগে তিনি বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে প্রশিক্ষক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে আলোচিত; বর্তমান প্রজন্মের বহু পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর প্রত্যক্ষ শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাহিনীর পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং জনআস্থা আরও সুসংহত করতে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে বিবেচিত হচ্ছে। সেই বিবেচনায় অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার কারণে আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার কাজলা গ্রামের বাসিন্দা এই কর্মকর্তা অবসরের পরও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান ও পেশাদার ভাবমূর্তির কারণে প্রশাসনিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, আইজিপি নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত সব আলোচনা সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এখন দেখার বিষয়—বাংলাদেশ পুলিশের পরবর্তী নেতৃত্বে কে আসছেন এবং নতুন অধ্যায়ে বাহিনী কোন পথে অগ্রসর হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকবিরোধী সমাবেশে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

বাংলাদেশ পুলিশ–এর শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস

Update Time : ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সম্ভাব্য তালিকায় আনসার উদ্দিন খান পাঠান

অফিস ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশ–এর শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পুলিশ সদরদপ্তর ও প্রশাসনিক মহলে নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নিয়োগকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। যদিও এ বিষয়ে সরকারিভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে।

এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় উঠে এসেছে পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনসার উদ্দিন খান পাঠান–এর নাম। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–এর তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ বাহিনীতে দীর্ঘ কর্মজীবনে আনসার উদ্দিন খান পাঠান একজন সৎ, দক্ষ ও মানবিক কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেন। ২০২২ সালে অবসর গ্রহণের আগে তিনি বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে প্রশিক্ষক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে আলোচিত; বর্তমান প্রজন্মের বহু পুলিশ কর্মকর্তা তাঁর প্রত্যক্ষ শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বাহিনীর পেশাদারিত্ব, জবাবদিহিতা এবং জনআস্থা আরও সুসংহত করতে ‘ক্লিন ইমেজ’ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা গভীরভাবে বিবেচিত হচ্ছে। সেই বিবেচনায় অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার কারণে আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনায় রয়েছে।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার কাজলা গ্রামের বাসিন্দা এই কর্মকর্তা অবসরের পরও নীতিনিষ্ঠ অবস্থান ও পেশাদার ভাবমূর্তির কারণে প্রশাসনিক অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, আইজিপি নিয়োগ সম্পূর্ণভাবে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়। আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত সব আলোচনা সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এখন দেখার বিষয়—বাংলাদেশ পুলিশের পরবর্তী নেতৃত্বে কে আসছেন এবং নতুন অধ্যায়ে বাহিনী কোন পথে অগ্রসর হয়।