
কালীগঞ্জে প্রিন্সের পিতার কুলখানি উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৯ মার্চ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড ভাদার্ত্তী (দক্ষিণ পাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং গাজীপুর সরকারি শ্রমিক কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবুল হোসেন প্রিন্সের পিতা মো. মোশাররফ হোসেন ইন্তেকাল করেন। তাঁর স্মরণে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাদ আছর ভাদার্ত্তী দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে কুলখানি উপলক্ষে পবিত্র কোরআন খানি, মিলাদ, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এই দোয়া ও ইফতার মাহফিলে এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আকরাম পলাশ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি নাছিবুর ইসলাম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রানা, সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল খান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হাসিব ভূইয়া, কালীগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম বিপ্লব, যুগ্ম আহ্বায়ক লাভু, তৌফিক মিয়া এবং কালীগঞ্জ শহীদ জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইমন মিয়া।
প্রায় দুই হাজার মুসুল্লি এই মাহফিলে অংশগ্রহণ করে। কুলখানির মাধ্যমে প্রিন্সের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় সমাজ তার প্রতি সম্মান ও প্রণাম জানিয়েছে। অনুষ্ঠানটি সামাজিক সম্প্রীতি এবং ধর্মীয় ভাবগম্ভীরতার প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, কুলখানি অনুষ্ঠানের সময় পবিত্র কোরআন খানি পাঠ করা হয় এবং মুসল্লিরা প্রার্থনার মাধ্যমে প্রয়াত ব্যক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রিন্সের পিতার স্মৃতিকে সম্মান জানানো হয়। অনুষ্ঠান শেষে সকল অংশগ্রহণকারীদের জন্য ইফতার সরবরাহ করা হয়।
কালীগঞ্জ পৌরসভার এই অঞ্চলে সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো প্রতি বছর নিয়মিতভাবে পালিত হয়। প্রিন্সের পরিবারের প্রতি এলাকার মানুষ গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছে। বিশেষ অতিথিরা প্রিন্সের ধৈর্য, নেতৃত্ব এবং সামাজিক অবদানের প্রশংসা করেন।
এই ধরনের ইফতার ও কুলখানি অনুষ্ঠান স্থানীয় মানুষের মধ্যে ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে। প্রিন্সের পিতা মো. মোশাররফ হোসেনের স্মরণে এই মাহফিলটি সামাজিক ঐক্য এবং কমিউনিটির মাঝে ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সামগ্রিকভাবে, কালীগঞ্জে প্রিন্সের পিতার কুলখানি উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিলটি একটি ধর্মীয় এবং সামাজিক মিলনের অনুষ্ঠান হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Reporter Name 









