গাজীপুর , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩ Time View

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন

নেত্রকোনায় এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই একটি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। “নেত্রকোনা এসপি মোবাইল উদ্ধার” ঘটনাটি ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্থানীয় এক ব্যক্তি তার শখের মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফেলেন। সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় অনেকেই আশা ছেড়ে দেন। তবে তিনি আইনের প্রতি আস্থা রেখে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপরই নেত্রকোনা জেলা পুলিশের সাইবার ইউনিট দ্রুত তদন্তে নামে।

প্রযুক্তির সহায়তায় এবং দক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অবশেষে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই “হারানো ফোন উদ্ধার” করে সেটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফোনটি ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম ফোনটি আর কখনো ফিরে পাব না। কিন্তু পুলিশ এত দ্রুত কাজ করবে, তা ভাবিনি। তাদের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে তারা শুধু অপরাধ দমনই নয়, সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানেও কাজ করছে। হারানো জিনিস উদ্ধারে সাইবার ইউনিট নিয়মিত কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো—সঠিক উদ্যোগ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলে অনেক কঠিন কাজও সম্ভব। “নেত্রকোনা এসপি মোবাইল উদ্ধার” ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার।

Update Time : ০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার মোঃ শাহিনুর ইসলাম শাহিন

নেত্রকোনায় এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)। মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই একটি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি। “নেত্রকোনা এসপি মোবাইল উদ্ধার” ঘটনাটি ইতোমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে স্থানীয় এক ব্যক্তি তার শখের মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফেলেন। সাধারণত এ ধরনের ঘটনায় অনেকেই আশা ছেড়ে দেন। তবে তিনি আইনের প্রতি আস্থা রেখে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপরই নেত্রকোনা জেলা পুলিশের সাইবার ইউনিট দ্রুত তদন্তে নামে।

প্রযুক্তির সহায়তায় এবং দক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অবশেষে মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই “হারানো ফোন উদ্ধার” করে সেটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ভুক্তভোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফোনটি ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম ফোনটি আর কখনো ফিরে পাব না। কিন্তু পুলিশ এত দ্রুত কাজ করবে, তা ভাবিনি। তাদের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।”

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে তারা শুধু অপরাধ দমনই নয়, সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানেও কাজ করছে। হারানো জিনিস উদ্ধারে সাইবার ইউনিট নিয়মিত কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো—সঠিক উদ্যোগ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার থাকলে অনেক কঠিন কাজও সম্ভব। “নেত্রকোনা এসপি মোবাইল উদ্ধার” ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বাড়াবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।