গাজীপুর , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
অস্ট্রেলিয়া চাকরি প্রতারণায় ৬০ লাখ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন কুড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন, দেশব্যাপী ক্রীড়া উদ্যোগ শুরু পীরগঞ্জে ৩.৫ কোটি টাকায় ১৩ কিমি খাল পুনঃখনন উদ্বোধন কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি দখল ও অবৈধ ঘর নির্মাণে উত্তেজনা কালিয়াকৈরে রেলওয়ে জমি দখল করে অবৈধ ঘর নির্মাণের অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন ও প্রতিযোগিতা শুরু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬ উদ্বোধন জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদকবিরোধী সমাবেশে জিরো টলারেন্স ঘোষণা নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার। গৌরনদী ইউএনও ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অভিযোগ
নির্বাচন ও গণভোটে পুলিশের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি

নির্বাচন ও গণভোটে পুলিশের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪০ Time View

নির্বাচন ও গণভোটে পুলিশের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি

নির্বাচন ও গণভোটে রিপোর্ট:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জারি করা নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো পুলিশ সদস্য কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারবেন না। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না। কোনো প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা অন্য কোনো সুবিধা গ্রহণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তোলা বা অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতাকেও অপেশাদার আচরণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে ফুটপাত বা দোকানে বসে খাবার খাওয়া কিংবা জনসমাগমস্থলে নাস্তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না এবং কোনো ভোটারকে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

দায়িত্বকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ভোট সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য, ছবি বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। ব্যক্তিগত আলাপচারিতা, উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি কিংবা ফলাফল নিয়ে পূর্বানুমান করাও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটার বা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর আচরণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এই আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

অস্ট্রেলিয়া চাকরি প্রতারণায় ৬০ লাখ আত্মসাৎ, গ্রেফতার

নির্বাচন ও গণভোটে পুলিশের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি

নির্বাচন ও গণভোটে পুলিশের জন্য কঠোর আচরণবিধি জারি

Update Time : ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন ও গণভোটে রিপোর্ট:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সদস্যদের প্রতি একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জারি করা নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো পুলিশ সদস্য কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা তাদের সমর্থকের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারবেন না। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না। কোনো প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা অন্য কোনো সুবিধা গ্রহণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তোলা বা অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতাকেও অপেশাদার আচরণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এছাড়া দায়িত্ব পালনকালে ফুটপাত বা দোকানে বসে খাবার খাওয়া কিংবা জনসমাগমস্থলে নাস্তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না এবং কোনো ভোটারকে নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

দায়িত্বকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ভোট সংক্রান্ত সংবেদনশীল তথ্য, ছবি বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। ব্যক্তিগত আলাপচারিতা, উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি কিংবা ফলাফল নিয়ে পূর্বানুমান করাও আচরণবিধির পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ভোটার বা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর আচরণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

এই আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।