গাজীপুর , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১০ Time View

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তল্লাশি অভিযান চালাতে দেখা গেছে।

টানা ছুটির কারণে নগরীর প্রধান সড়ক ও ব্যস্ত এলাকাগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচল তুলনামূলক কম লক্ষ্য করা গেছে। পুরো জেলা ও মহানগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, জেলার ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে ৪০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে স্ট্রাইকিং ফোর্সের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে সমস্যা দেখা দিলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফোর্স পৌঁছানোর পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলায় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মিলিয়ে প্রায় ১১৫ জন মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক সক্রিয় রয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। এতে অনিয়মের সুযোগ কমেছে এবং দায় এড়ানোর পথ বন্ধ হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হোসাইন মোহাম্মদ কবীর ভুঁইয়া বলেন, নগরী পুরোপুরি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এদিকে বিকেলে নগরীর টাইগারপাস মোড়ে সাজোয়া যানসহ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালাতে দেখা গেছে সেনা সদস্যদের। সেনা সদস্যরা চলাচলরত প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালান এবং যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পীরগঞ্জে ৩.৫ কোটি টাকায় ১৩ কিমি খাল পুনঃখনন উদ্বোধন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।

নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে গেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম

Update Time : ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তল্লাশি অভিযান চালাতে দেখা গেছে।

টানা ছুটির কারণে নগরীর প্রধান সড়ক ও ব্যস্ত এলাকাগুলোতে যানবাহন ও মানুষের চলাচল তুলনামূলক কম লক্ষ্য করা গেছে। পুরো জেলা ও মহানগরজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‌্যাবের টহল জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, জেলার ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে ৪০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে স্ট্রাইকিং ফোর্সের আওতায় আনা হয়েছে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোনো কেন্দ্রে সমস্যা দেখা দিলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ফোর্স পৌঁছানোর পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, জেলায় নির্বাহী ও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মিলিয়ে প্রায় ১১৫ জন মাঠে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি নেই। মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক সক্রিয় রয়েছে।

জেলা প্রশাসক বলেন, পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা বডি অন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। এতে অনিয়মের সুযোগ কমেছে এবং দায় এড়ানোর পথ বন্ধ হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হোসাইন মোহাম্মদ কবীর ভুঁইয়া বলেন, নগরী পুরোপুরি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এদিকে বিকেলে নগরীর টাইগারপাস মোড়ে সাজোয়া যানসহ ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালাতে দেখা গেছে সেনা সদস্যদের। সেনা সদস্যরা চলাচলরত প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালান এবং যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।