গাজীপুর , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

রাঙ্গামাটিতে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান শহিদ দিবস পালন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ Time View

মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬। অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এ সময় কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে তখন ভেসে আসে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’—গানের করুণ সুর, আর ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয় বেদিমঞ্চ।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে পুলিশ সুপারের সঙ্গে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)

জনাব মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)

জনাব মোজাম্মেল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ)

দিবসটি উপলক্ষে শহরজুড়ে গ্রহণ করা হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ ও সর্বস্তরের জনতা যাতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিপূর্ণভাবে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে শহিদ মিনার ও এর আশপাশে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাষা শহিদদের স্মরণে আয়োজিত সব অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। ফলে দিবসটি শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাজীপুরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা শওকত হোসেন সরকারের

রাঙ্গামাটিতে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান শহিদ দিবস পালন

Update Time : ০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি:

যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় পালিত হয়েছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬। অমর একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে রাঙ্গামাটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তিনি। এ সময় কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের বীর শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে তখন ভেসে আসে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’—গানের করুণ সুর, আর ফুলেল শ্রদ্ধায় সিক্ত হয় বেদিমঞ্চ।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে পুলিশ সুপারের সঙ্গে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

জনাব মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)

জনাব মোঃ জসীম উদ্দীন চৌধুরী, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)

জনাব মোজাম্মেল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ)

দিবসটি উপলক্ষে শহরজুড়ে গ্রহণ করা হয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ ও সর্বস্তরের জনতা যাতে নির্বিঘ্নে এবং শান্তিপূর্ণভাবে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে শহিদ মিনার ও এর আশপাশে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাষা শহিদদের স্মরণে আয়োজিত সব অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। ফলে দিবসটি শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে পালিত হয়েছে।