গাজীপুর , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাঙ্গামাটি গড়ার অঙ্গীকার২৯৯ নং আসনে আবু বক্কর সিদ্দিকের ঘোষণা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৯ Time View

মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি :

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি শান্ত রাঙ্গামাটি গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন রাঙামাটি-২৯৯ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট ও ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।

আল্লামা মামুনুল হক মনোনীত এই প্রার্থী বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গণসংযোগকালে সাধারণ ভোটারদের কাছ থেকে তিনি অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন।

আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তিনি ও তাঁর পরিবার রাঙামাটির আদি বাসিন্দা। পাহাড়ের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি জুড়াইছড়িতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষ এখন নতুন নেতৃত্ব ও ইতিবাচক পরিবর্তন চায়।

নির্বাচিত হলে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ভূমি সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে ও পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। পাহাড়ের ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সকল জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির এক শান্ত রাঙ্গামাটি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাঙামাটির অনগ্রসর এলাকাগুলোতে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য জেলা যখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন রাঙামাটি পিছিয়ে থাকবে—এটি মেনে নেওয়া যায় না। পাহাড়ে উন্নয়নের জোয়ার আনার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাঙামাটির ফল ও কৃষিপণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বেকারত্ব দূর করতে হিমাগার ও ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানই হবে তারুণ্যের শক্তির মূল ভিত্তি।

ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় যেকোনো মূল্যে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে।

তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। এসব বীরদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Motaleb Hossain

Popular Post

গাজীপুরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা শওকত হোসেন সরকারের

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাঙ্গামাটি গড়ার অঙ্গীকার২৯৯ নং আসনে আবু বক্কর সিদ্দিকের ঘোষণা

Update Time : ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি :

চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি শান্ত রাঙ্গামাটি গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছেন রাঙামাটি-২৯৯ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট ও ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক।

আল্লামা মামুনুল হক মনোনীত এই প্রার্থী বর্তমানে তাঁর নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গণসংযোগকালে সাধারণ ভোটারদের কাছ থেকে তিনি অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন।

আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তিনি ও তাঁর পরিবার রাঙামাটির আদি বাসিন্দা। পাহাড়ের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি জুড়াইছড়িতে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষ তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। তিনি বলেন, পাহাড়ের মানুষ এখন নতুন নেতৃত্ব ও ইতিবাচক পরিবর্তন চায়।

নির্বাচিত হলে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের ভূমি সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে ও পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে স্থায়ীভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। পাহাড়ের ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসহ সকল জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির এক শান্ত রাঙ্গামাটি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

রাঙামাটির অনগ্রসর এলাকাগুলোতে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আবু বক্কর সিদ্দিক। তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য জেলা যখন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন রাঙামাটি পিছিয়ে থাকবে—এটি মেনে নেওয়া যায় না। পাহাড়ে উন্নয়নের জোয়ার আনার অঙ্গীকারও করেন তিনি।

স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাঙামাটির ফল ও কৃষিপণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। বেকারত্ব দূর করতে হিমাগার ও ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরি স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানই হবে তারুণ্যের শক্তির মূল ভিত্তি।

ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হলে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় যেকোনো মূল্যে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে।

তিনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজকের স্বাধীন বাংলাদেশ। এসব বীরদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।