গাজীপুর , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
গাইবান্ধায় বালু বিক্রির অভিযোগ, নেতার দাবি ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’ ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন দেলোয়ার হোসেন | মাতৃজগত পরিবারের বার্তা গাজীপুরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা শওকত হোসেন সরকারের গাজীপুর মহানগরবাসীকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। গাজীপুর ১৮নং ওয়ার্ড প্রার্থী মনিরুজ্জামানের ঈদ শুভেচ্ছা গাজীপুরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা ও নিরাপদ যাত্রার আহ্বান চট্টগ্রামে জমজমাট ঈদের কেনাকাটা, টুপি ও নতুন নোটে আগ্রহ ফরিদপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিধন ও ড্রেন-খাল পরিষ্কার অভিযান শুরু পাঁচবিবিতে পুকুরে বিষে মাছ নিধন, চাষির ১০ লাখ টাকার ক্ষতি পীরগঞ্জে আকস্মিক বৃষ্টিতে কৃষকের ফসল নষ্ট, বিপাকে ক্ষুদ্র চাষি
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের খুঁজে নগরজুড়ে পুলিশের কম্বো অভিযান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ২৫ Time View

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দফায় গুলির ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবেও স্বীকার করেন।

চট্টগ্রামে এক শিল্পপতি ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি চালানো সন্ত্রাসীরা শহরের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো শহরের মধ্যেই কোথাও লুকিয়ে রাখা হয় বলে ধারনা করছে পুলিশ। এসব অস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা অথবা পুলিশের কাছ থেকে লুট করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নগরজুড়ে একযোগে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত ২ জানুয়ারিও একই বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটে।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মধ্যে রোববার ঢাকার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নড়েচড়ে বসে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। রোববার রাত ১১টায় দামপাড়ায় সিএমপি কার্যালয়ে অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী। তিনি ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দফায় গুলির ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবেও স্বীকার করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুলিশের প্রতি আস্থা ফেরাতে নগরীর ১০টি স্থানে একযোগে অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় নগরবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে এটিকে ব্যর্থতা হিসেবে মেনেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করছে। তাদের আস্তানায় গোয়েন্দা অভিযানও চালানো হয়েছে। তবে তারা অস্ত্র সঙ্গে নেয়নি। অস্ত্রগুলো শহরের কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে এবং সেগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা অথবা পুলিশের কাছ থেকে লুট করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে পুলিশের একাধিক দল। নগরীর ১৬টি থানা এলাকায় ১০টি টিম ভাগ হয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, মাদকের আস্তানা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

গাইবান্ধায় বালু বিক্রির অভিযোগ, নেতার দাবি ‘মিথ্যা ও অপপ্রচার’

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের খুঁজে নগরজুড়ে পুলিশের কম্বো অভিযান

Update Time : ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দফায় গুলির ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবেও স্বীকার করেন।

চট্টগ্রামে এক শিল্পপতি ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি চালানো সন্ত্রাসীরা শহরের বাইরে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো শহরের মধ্যেই কোথাও লুকিয়ে রাখা হয় বলে ধারনা করছে পুলিশ। এসব অস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা অথবা পুলিশের কাছ থেকে লুট করা হতে পারে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নগরজুড়ে একযোগে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর চন্দনপুরা এলাকায় স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। এর আগে গত ২ জানুয়ারিও একই বাড়িতে গুলির ঘটনা ঘটে।

ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনার মধ্যে রোববার ঢাকার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নড়েচড়ে বসে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। রোববার রাত ১১টায় দামপাড়ায় সিএমপি কার্যালয়ে অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী। তিনি ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলির ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং দুই দফায় গুলির ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবেও স্বীকার করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও পুলিশের প্রতি আস্থা ফেরাতে নগরীর ১০টি স্থানে একযোগে অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ ঘটনায় নগরবাসীর আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে এটিকে ব্যর্থতা হিসেবে মেনেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গুলিবর্ষণকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান করছে। তাদের আস্তানায় গোয়েন্দা অভিযানও চালানো হয়েছে। তবে তারা অস্ত্র সঙ্গে নেয়নি। অস্ত্রগুলো শহরের কোথাও লুকিয়ে রাখা হয়েছে এবং সেগুলোও চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব অস্ত্র পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে কেনা অথবা পুলিশের কাছ থেকে লুট করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনের পর থেকেই নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করে পুলিশের একাধিক দল। নগরীর ১৬টি থানা এলাকায় ১০টি টিম ভাগ হয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, মাদকের আস্তানা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।