
মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন বিপুল ভোটের ব্যবধানের সঙ্গে জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই আসনে বিএনপি’র জয় স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মিলন কালীগঞ্জ উপজেলার বর্তুল গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র দক্ষিণ সোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফেসবুক, ইউটিউব ও হাট-বাজারে আলোচনা শুরু করেছেন। কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, জনগণ এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা বিএনপি নীতি-নির্ধারকদের কাছে দাবি জানিয়েছেন একেএম ফজলুল হক মিলনকে নতুন সরকারের মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য, যাতে গাজীপুর-৫-এর জনগণের প্রতিনিধিত্ব আরও কার্যকরভাবে হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও পৌর আহ্বায়ক সদস্য মোঃ মনির উদ্দিন পাঠান (মিঠু) বলেন, “গাজীপুর জেলা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশাল ভৌগলিক এলাকা। ফজলুল হক মিলন এর অভিজ্ঞতা ও সংসদে পূর্বের প্রতিনিধিত্বের আলোকে তাকে মন্ত্রী করা সময়ের দাবি।”
কালীগঞ্জ পৌরসভার বারবার নির্বাচিত সাবেক মেয়র লুৎফর রহমান বলেন, “একেএম ফজলুল হক মিলন শিক্ষা-যোগ্যতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতায় অত্যন্ত সক্ষম। উনাকে মন্ত্রী করা হলে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব।”
এদিকে গাজীপুর জেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “বাংলাদেশ ছাত্র দলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমান গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একে এম ফজলুল হক মিলন একজন পরিচ্ছন্ন ও যোগ্য রাজনীতিবিদ। উনার মতো বয়োজ্যেষ্ঠ সাংসদ বর্তমানে গাজীপুরে আর নেই। উনাকে মন্ত্রী করা এখন সময়ের দাবি।”
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করছেন, একে এম ফজলুল হক মিলনকে মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করলে গাজীপুর জেলার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Reporter Name 


















