গাজীপুর , বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

নগরকান্দায় ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ১৯ Time View

ফরিদপুরের নগরকান্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দোয়া ও আলোচনা সভা, যেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) নগরকান্দা উপজেলা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এই নগরকান্দা স্মরণসভা ঘিরে এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা এবং বর্তমান সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, তার পিতা কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দেশপ্রেমিক নেতা। তিনি দেশের জন্য কাজ করেছেন এবং মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন।

তিনি আরও বলেন, “২০০৭ সালের ২১ মার্চ বাবার মৃত্যুর পর থেকে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।” তার এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন পলাশ, খন্দকার ফজলুল হক টুলু, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্মরণসভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নগরকান্দায় ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

Update Time : ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের নগরকান্দায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে কে এম ওবায়দুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় দোয়া ও আলোচনা সভা, যেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কর্মী এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২৩ মার্চ ২০২৬) নগরকান্দা উপজেলা সরকারি মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এই নগরকান্দা স্মরণসভা ঘিরে এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা এবং বর্তমান সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, তার পিতা কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও দেশপ্রেমিক নেতা। তিনি দেশের জন্য কাজ করেছেন এবং মানুষের হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন।

তিনি আরও বলেন, “২০০৭ সালের ২১ মার্চ বাবার মৃত্যুর পর থেকে আমি আপনাদের সঙ্গে আছি এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।” তার এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, কে এম ওবায়দুর রহমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক মহাসচিব ও মন্ত্রী। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আলহাজ্ব জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া, ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফজাল হোসেন পলাশ, খন্দকার ফজলুল হক টুলু, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

স্মরণসভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।