গাজীপুর , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সালথায় দেশীয় অস্ত্র জমাদান উদ্যোগে শান্তির নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন নকলা উপজেলায় দুধ উৎপাদন ও গাভী পালন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়ায় মাদক অভিযোগে উত্তেজনা ও আলোচনা পীরগঞ্জে গ্রাম আদালত সেবা ও জনসচেতনতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত দারুত তাকওয়া ক্যাডেট মাদ্রাসায় ফল উৎসব, স্বাস্থ্য সচেতনতা রাজশাহীর মোহনপুরে ভয়াবহ মাহিন্দ্রা-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫ জন রাঙ্গামাটিতে বিশেষ অভিযানে চোলাইমদসহ পলাতক আসামি গ্রেফতার চার নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত এএসপি আল ফাহাদ নরসিংদীর শিবপুরে প্রান্তিক পেশাজীবীদের সফট স্কিল প্রশিক্ষণ উদ্বোধন
ভোটের হাওয়া

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়ায় মাদক অভিযোগে উত্তেজনা ও আলোচনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ৩ ঘন্টা আগে
  • ২৩ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট 

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়া, বারেকিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দুই ব্যক্তি মাইদুল ও সোহেলকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ ও স্থানীয় আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তারা পার্টনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস ও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাইদুল একাধিকবার প্রায় ৪–৫ বার রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য। তবে এসব তথ্য এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তাদের সঙ্গে ৮–১০ জনের একটি দল নিয়মিতভাবে কাজ করে থাকে। এই দলকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তারা মহল্লার বিভিন্ন গলিতে “পাহারার মতো” অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গত প্রায় দেড় বছরে পুলিশ ও ডিবি একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ২–৩টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, যদিও এ বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কিছু মানুষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থাকে ঘিরেও এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, তাদের মাসিক আয় আনুমানিক ১৫–২০ লাখ টাকা হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর বক্তব্য বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সালথায় দেশীয় অস্ত্র জমাদান উদ্যোগে শান্তির নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়ায় মাদক অভিযোগে উত্তেজনা ও আলোচনা

Update Time : ৩ ঘন্টা আগে

ডেস্ক রিপোর্ট 

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়া, বারেকিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দুই ব্যক্তি মাইদুল ও সোহেলকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ ও স্থানীয় আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তারা পার্টনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস ও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাইদুল একাধিকবার প্রায় ৪–৫ বার রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য। তবে এসব তথ্য এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তাদের সঙ্গে ৮–১০ জনের একটি দল নিয়মিতভাবে কাজ করে থাকে। এই দলকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তারা মহল্লার বিভিন্ন গলিতে “পাহারার মতো” অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গত প্রায় দেড় বছরে পুলিশ ও ডিবি একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ২–৩টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, যদিও এ বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কিছু মানুষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থাকে ঘিরেও এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, তাদের মাসিক আয় আনুমানিক ১৫–২০ লাখ টাকা হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর বক্তব্য বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।