
ডেস্ক রিপোর্ট
আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়া, বারেকিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দুই ব্যক্তি মাইদুল ও সোহেলকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ ও স্থানীয় আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তারা পার্টনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস ও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাইদুল একাধিকবার প্রায় ৪–৫ বার রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য। তবে এসব তথ্য এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তাদের সঙ্গে ৮–১০ জনের একটি দল নিয়মিতভাবে কাজ করে থাকে। এই দলকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তারা মহল্লার বিভিন্ন গলিতে “পাহারার মতো” অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
গত প্রায় দেড় বছরে পুলিশ ও ডিবি একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ২–৩টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, যদিও এ বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কিছু মানুষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থাকে ঘিরেও এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, তাদের মাসিক আয় আনুমানিক ১৫–২০ লাখ টাকা হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর বক্তব্য বলে জানা গেছে।
সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

Reporter Name 


















