গাজীপুর , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন চট্টগ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব গাজীপুরে ড্রেন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন এলাকাবাসী উত্তরায় বাস দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ক্ষোভ দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা রাঙ্গামাটি হাসপাতালে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. ওমর ফারুকের অবসর ২০ জুলাই কারফিউ: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সেনা মোতায়েন, স্তব্ধ ময়মনসিংহে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ছাতকে রহস্যজনক মৃত্যু: পিতা-পুত্রের পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তের দাবি
ভোটের হাওয়া
দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল মান্দা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল: অপপ্রচার ও অশিষ্ট রাজনীতির প্রতিবাদ গাজীপুরে তারেক জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব নেত্রকোণা ছাত্রদল কমিটিতে সহ-সভাপতি হলেন গোলাম কিবরিয়া

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়ায় মাদক অভিযোগে উত্তেজনা ও আলোচনা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৪৯ Time View

ডেস্ক রিপোর্ট 

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়া, বারেকিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দুই ব্যক্তি মাইদুল ও সোহেলকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ ও স্থানীয় আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তারা পার্টনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস ও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাইদুল একাধিকবার প্রায় ৪–৫ বার রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য। তবে এসব তথ্য এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তাদের সঙ্গে ৮–১০ জনের একটি দল নিয়মিতভাবে কাজ করে থাকে। এই দলকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তারা মহল্লার বিভিন্ন গলিতে “পাহারার মতো” অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গত প্রায় দেড় বছরে পুলিশ ও ডিবি একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ২–৩টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, যদিও এ বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কিছু মানুষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থাকে ঘিরেও এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, তাদের মাসিক আয় আনুমানিক ১৫–২০ লাখ টাকা হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর বক্তব্য বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়ায় মাদক অভিযোগে উত্তেজনা ও আলোচনা

Update Time : ০২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট 

আন্দারমানিক পশ্চিম পাড়া, বারেকিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় দুই ব্যক্তি মাইদুল ও সোহেলকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের মাদক অভিযোগ ও স্থানীয় আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, তারা পার্টনার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বসবাস ও কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাইদুল একাধিকবার প্রায় ৪–৫ বার রিহ্যাব সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে সোহেল দীর্ঘদিন ধরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছেন বলেও এলাকাবাসীর ভাষ্য। তবে এসব তথ্য এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, তাদের সঙ্গে ৮–১০ জনের একটি দল নিয়মিতভাবে কাজ করে থাকে। এই দলকে প্রতিদিন ১–২ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন। তারা মহল্লার বিভিন্ন গলিতে “পাহারার মতো” অবস্থান নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

গত প্রায় দেড় বছরে পুলিশ ও ডিবি একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য। এ সময় কয়েকজনকে গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ২–৩টি মাদক সংশ্লিষ্ট মামলা চলমান রয়েছে বলে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, যদিও এ বিষয়ে সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় কিছু মানুষের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তারা জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে তাদের আর্থিক অবস্থাকে ঘিরেও এলাকায় নানা ধরনের আলোচনা রয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করছেন, তাদের মাসিক আয় আনুমানিক ১৫–২০ লাখ টাকা হতে পারে, তবে এটি সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর বক্তব্য বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বিষয়টির সঠিক তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন। তবে পুরো বিষয়টি এখন পর্যন্ত অভিযোগ ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।