
মোঃ ইলিয়াছ খান ( সালথা উপজেলা) প্রতিনিধি ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সালথা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল। বুধবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।
সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের পৃষ্ঠপোষক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মামুন সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা ও সালথা) সার্কেল মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান এবং সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ বাবলুর রহমান খান।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ ওবায়দুর রহমান, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাই চেয়ারম্যান মোঃ আজাদ মাতুব্বর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাশার আজাদ, উপজেলা জামায়াত ইসলামির আমির আব্দুল ফজল মুরাদ এবং সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম।
প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ সেলিম মোল্যা এবং যুবদল নেতা এনায়েত হোসেনসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ ও প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষে দোয়া পরিচালনা করেন সালথা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিঞা লিয়াকত হোসাইন।
অনুষ্ঠানটি খুবই সাদাসিধে পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে সাংবাদিক এবং সমাজের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে।
সালথা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম নাহিদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র সাংবাদিকতার মান উন্নয়ন নয়, একইসাথে সমাজে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও দোয়ার মাধ্যমে শান্তি বৃদ্ধি করা।”
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের অনুষ্ঠান সমাজে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সাংবাদিকদের এবং বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে সমন্বয় ও সংহতি বৃদ্ধি পায়।”
উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক সংগঠনের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, “সালথা প্রেসক্লাব সবসময় সাংবাদিকতা এবং সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।”
সালথা প্রেসক্লাবের এই ইফতার ও দোয়া মাহফিল শুধু আনন্দঘনই নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি, পারস্পরিক সমঝোতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রাখার একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হয়।

Reporter Name 



















