গাজীপুর , রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ভোটের হাওয়া
পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ গাজীপুরে ঝুট ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলা, লুটপাট ও ককটেল সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি শহরের মতো গ্রাম গড়ার অঙ্গীকার আলা উদ্দিনের শ্রীপুরে মাওনা–উজিলাব সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন নকলায় এমপির সাথে এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক নেতাদের সাক্ষাৎ চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ২২ Time View

মো. মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিএনপি জোটের জন্য প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সক্রিয় রয়েছেন।

এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির নাম। দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় দেখছেন দলের একাংশ নেতাকর্মী।

পপি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল, বাড়িয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলনের নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মাঠ পর্যায়ে কাজ, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গাজীপুরের কালীগঞ্জের বালীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা পপি রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তার দাদা মো. নজম উদ্দিন সাবেক ইউপি সদস্য, বাবা মো. হাবিবুর রহমান থানা বিএনপির সাবেক কার্যকরী সম্পাদক, এবং ছোট চাচা মো. আফাজ উদ্দিন আফাজ কালীগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ফলে পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

ছাত্রজীবনে তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নের সময় ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় হন পপি। তিনি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পপি বিভিন্ন সময় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় তার বাসায় হামলা, ভাঙচুর এবং পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয়েছে।

পপি বলেন, “বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে ছিলেন, দল তাদের মূল্যায়ন করেছে। সেই বিবেচনায় আমি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রাপ্য প্রার্থী। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব (ইনশাআল্লাহ)।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান দল ও মহিলা দলের পাশাপাশি ছাত্রদলের বর্তমান ও অতীত নেত্রীদের মধ্যে নাসরিন রহমান পপির নামও সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় নাসরিন রহমান পপি

Update Time : ০৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মো. মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পদ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিএনপি জোটের জন্য প্রায় ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা প্রণয়নে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্ব সক্রিয় রয়েছেন।

এই প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন রহমান পপির নাম। দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতি, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার কারণে তাকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় দেখছেন দলের একাংশ নেতাকর্মী।

পপি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ (কালীগঞ্জ, পুবাইল, বাড়িয়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলনের নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মাঠ পর্যায়ে কাজ, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গাজীপুরের কালীগঞ্জের বালীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা পপি রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তার দাদা মো. নজম উদ্দিন সাবেক ইউপি সদস্য, বাবা মো. হাবিবুর রহমান থানা বিএনপির সাবেক কার্যকরী সম্পাদক, এবং ছোট চাচা মো. আফাজ উদ্দিন আফাজ কালীগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ফলে পরিবারের তৃতীয় প্রজন্ম হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি।

ছাত্রজীবনে তিতুমীর কলেজে অধ্যয়নের সময় ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় হন পপি। তিনি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পপি বিভিন্ন সময় হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় তার বাসায় হামলা, ভাঙচুর এবং পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয়েছে।

পপি বলেন, “বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে ছিলেন, দল তাদের মূল্যায়ন করেছে। সেই বিবেচনায় আমি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রাপ্য প্রার্থী। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে কাজ করব (ইনশাআল্লাহ)।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান দল ও মহিলা দলের পাশাপাশি ছাত্রদলের বর্তমান ও অতীত নেত্রীদের মধ্যে নাসরিন রহমান পপির নামও সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় গুরুত্বসহকারে বিবেচিত হচ্ছে।