গাজীপুর , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

বিরামপুরে শিক্ষক-সাংবাদিক দ্বৈত পেশা নিয়ে উদ্বেগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৬৪ Time View

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় “বিরামপুরে শিক্ষক সাংবাদিক দ্বৈত পেশা” বিষয়টি নিয়ে জনমনে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক শিক্ষক ও সরকারি চাকরিজীবী নিজেদের মূল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে করে তাদের নির্ধারিত পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা দেখা দিচ্ছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনসেবার ওপর।

সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, একাধিক শিক্ষক নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকছেন না বা সময়মতো পাঠদান করছেন না। ফলে শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের মান কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। সচেতন মহলের মতে, এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়বে।

একই সঙ্গে “শিক্ষা ও জনসেবায় অবহেলা” অভিযোগটি সরকারি অফিসগুলোতেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের দাপ্তরিক কাজের চেয়ে সাংবাদিকতায় বেশি সময় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক বা সরকারি চাকরিজীবীদের অন্য পেশায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে বিরামপুর উপজেলায় এসব নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ধরে রাখতে শিক্ষকদের শতভাগ মনোযোগ অত্যন্ত জরুরি। একইভাবে সরকারি চাকরিজীবীদেরও জনগণের সেবায় পূর্ণ সময় দেওয়া উচিত। তারা দ্রুত কার্যকর নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান চান।

স্থানীয়দের দাবি, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে হবে। প্রয়োজন হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীদের মূল দায়িত্বে শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

বিরামপুরে শিক্ষক-সাংবাদিক দ্বৈত পেশা নিয়ে উদ্বেগ

Update Time : ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় “বিরামপুরে শিক্ষক সাংবাদিক দ্বৈত পেশা” বিষয়টি নিয়ে জনমনে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক শিক্ষক ও সরকারি চাকরিজীবী নিজেদের মূল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে পড়ছেন। এতে করে তাদের নির্ধারিত পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা দেখা দিচ্ছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনসেবার ওপর।

সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে, একাধিক শিক্ষক নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকছেন না বা সময়মতো পাঠদান করছেন না। ফলে শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের মান কমে যাচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। সচেতন মহলের মতে, এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়বে।

একই সঙ্গে “শিক্ষা ও জনসেবায় অবহেলা” অভিযোগটি সরকারি অফিসগুলোতেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অনেক সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের দাপ্তরিক কাজের চেয়ে সাংবাদিকতায় বেশি সময় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী শিক্ষক বা সরকারি চাকরিজীবীদের অন্য পেশায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে বিরামপুর উপজেলায় এসব নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, শিক্ষা কর্মকর্তা ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগ দেওয়া হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান ধরে রাখতে শিক্ষকদের শতভাগ মনোযোগ অত্যন্ত জরুরি। একইভাবে সরকারি চাকরিজীবীদেরও জনগণের সেবায় পূর্ণ সময় দেওয়া উচিত। তারা দ্রুত কার্যকর নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান চান।

স্থানীয়দের দাবি, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে হবে। প্রয়োজন হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারীদের মূল দায়িত্বে শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।