
সাংবাদিক মোঃ মোতালেব হোসেন
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এই অভিযোগের প্রতিবাদে তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং সেখানে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় বাসন মেট্রো থানা-অধীন তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম শফিক স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, তার রাজনৈতিক ইমেজ ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি জীবনে কখনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজের নির্দোষতা তুলে ধরেন এবং জনগণের কাছে সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, ‘সত্যের সন্ধানে বিএনপি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেই পোস্টে তার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি ওই পোস্টের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য। জনগণকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহার বেড়েছে। তিনি বলেন, “ফেসবুক অপপ্রচার প্রতিবাদ করা এখন সময়ের দাবি। কারণ মিথ্যা তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং একজন মানুষের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সাইবার আইনের আওতায় অপ প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “যারা এই ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।”
এ সময় তিনি শওকত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমি আশা করি প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখবে এবং সত্য উদঘাটনে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীরাও শফিকুল ইসলাম শফিকের পক্ষে অবস্থান নেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা মনে করেন, নির্বাচনের আগে তাকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে কাউকে হেয় করা একটি গুরুতর অপরাধ। তারা বলেন, “যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার করা উচিত নয়। এতে একজন নির্দোষ মানুষের সম্মান নষ্ট হতে পারে।”
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শফিকুল ইসলাম শফিক সবসময় আইন মেনে চলেছেন এবং জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানান, কোন গুজব বা অপপ্রচার বিশ্বাস না করে বাস্তব তথ্য যাচাই করার জন্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অপপ্রচার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।
সবশেষে শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, “আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। মিথ্যা অভিযোগ আমাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। সত্য সবসময় প্রতিষ্ঠিত হবে।”
এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এ ধরনের অভিযোগ ও অপপ্রচার কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সিটি করপোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শফিকুল ইসলাম শফিকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এই অভিযোগের প্রতিবাদে তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন এবং সেখানে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় বাসন মেট্রো থানা-অধীন তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম শফিক স্পষ্ট ভাষায় বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, তার রাজনৈতিক ইমেজ ক্ষুণ্ন করতেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমি জীবনে কখনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।” তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজের নির্দোষতা তুলে ধরেন এবং জনগণের কাছে সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও জানান, ‘সত্যের সন্ধানে বিএনপি’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে একটি পোস্ট করা হয়েছে। সেই পোস্টে তার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি ওই পোস্টের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য। জনগণকে ভুল পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি শক্তিশালী মাধ্যম হলেও এর অপব্যবহার বেড়েছে। তিনি বলেন, “ফেসবুক অপপ্রচার প্রতিবাদ করা এখন সময়ের দাবি। কারণ মিথ্যা তথ্য খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং একজন মানুষের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সাইবার আইনের আওতায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “যারা এই ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা উচিত।”
এ সময় তিনি শওকত হোসেন সরকার সহ বিএনপি’র নীতি নির্ধারণী মহলের নিকট এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানায় , এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমি আশা করি প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবে এবং সত্য উদঘাটনে কার্যকর ভূমিকা নিবে, উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় নেতাকর্মীরাও শফিকুল ইসলাম শফিকের পক্ষে অবস্থান নেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন। তারা মনে করেন, নির্বাচনের আগে তাকে রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে তার জনপ্রিয়তা নষ্ট করতেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।স্থানীয়দের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে কাউকে হেয় করা একটি গুরুতর অপরাধ। তারা বলেন, “যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো তথ্য শেয়ার করা উচিত নয়। এতে একজন নির্দোষ মানুষের সম্মান নষ্ট হতে পারে।”
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শফিকুল ইসলাম শফিক সবসময় আইন মেনে চলেছেন এবং জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানান, কোনো গুজব বা অপপ্রচার বিশ্বাস না করে বাস্তব তথ্য যাচাই করার জন্য।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অপপ্রচার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।
সবশেষে শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, “আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। মিথ্যা অভিযোগ আমাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। সত্য সবসময় প্রতিষ্ঠিত হবে।”
এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এ ধরনের অভিযোগ ও অপপ্রচার কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে সচেতন মহল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

Reporter Name 


















