
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে দালালমুক্ত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে র্যাব-১১, সিপিএসসি নরসিংদী এবং জেলা পুলিশ নরসিংদীর সমন্বয়ে একটি যৌথ দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে নরসিংদী মডেল থানাধীন সদর হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে মোট ১৩ জন দালালকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠানো হয়। প্রশাসনের এই পদক্ষেপে হাসপাতাল এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ সজিব মিয়া, মোঃ আরমান, রানা মিয়া, রফিকুল ইসলাম, বাবু, শিপলু মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ পাভেল, মোঃ কাইকোবাদ, দীপক চন্দ্র দাস, মোঃ জুয়েল মিয়া, মোঃ জাহাঙ্গীর এবং মোঃ বিল্লাল হোসেন। তারা সবাই নরসিংদী সদর এলাকার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা।
অভিযান শেষে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে নরসিংদী মডেল থানার মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান, স্বাস্থ্যসেবা খাতে কোনো ধরনের দালালচক্র বরদাস্ত করা হবে না। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ ধরনের দালাল আটক অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, র্যাব সবসময় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে যাতে কোনো হয়রানি না হয়, সে লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নরসিংদী জেলার হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত ও সুশৃঙ্খল রাখতে নিয়মিত নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Reporter Name 


















