
চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২০২৬ সালের পবিত্র হজ ফ্লাইট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে প্রথম ফ্লাইটটি ৪১৪ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এই চট্টগ্রাম হজ ফ্লাইট উদ্বোধনের মাধ্যমে এবার হজযাত্রার কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের BG-135 ফ্লাইটে মোট ৪১৪ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ৩৭১ জন ছিলেন হজযাত্রী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ আবদুল্লাহ আলমগীর।
প্রধান অতিথি হজযাত্রীদের সেবার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকার হজযাত্রীদের জন্য আরও ভালো সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ভবিষ্যতে বিমানবন্দরের টার্মিনাল সম্প্রসারণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
বিমানবন্দরের পরিচালক জানান, হাজিদের যাত্রা সহজ করতে একটি বিশেষ হজ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি যাত্রীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ থেকে বিমানে ওঠা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নজরদারি করবে। এতে যাত্রীরা ঝামেলা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবেন।
ঢাকার মতো স্থায়ী হজ ক্যাম্প না থাকায়, শাহ আমানত বিমানবন্দর হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্যাম্পে বসার জায়গা, সুপেয় পানি, ফ্যান এবং প্রয়োজনীয় সব সুবিধা রাখা হয়েছে। অসুস্থ যাত্রীদের জন্য চিকিৎসা সেবা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে হাজিদের মধ্যে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয় এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। এতে যাত্রীরা আনন্দিত হন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, এ বছর চট্টগ্রাম থেকে মোট ১৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। এসব ফ্লাইটে প্রায় ৬ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরব যাবেন। শেষ ফ্লাইটটি ২০ মে ছেড়ে যাবে। ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩১ মে থেকে।
যাত্রীদের সুবিধার জন্য চেক-ইন, ইমিগ্রেশন এবং লাগেজ ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সহায়তা চালু করা হয়েছে। ফলে যাত্রীরা সহজে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে হজযাত্রা সম্পন্ন করতে পারবেন।

Reporter Name 
















