গাজীপুর , রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগ বাসন থানার অভিযানে ইয়াবাসহ ছয় আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ কালিয়াকৈরে পিচ্চি আকাশ গ্রেপ্তার, ১৮ মামলার আসামির অস্ত্র উদ্ধার নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন চট্টগ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব গাজীপুরে ড্রেন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন এলাকাবাসী উত্তরায় বাস দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ক্ষোভ দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা রাঙ্গামাটি হাসপাতালে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. ওমর ফারুকের অবসর
ভোটের হাওয়া
দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল মান্দা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল: অপপ্রচার ও অশিষ্ট রাজনীতির প্রতিবাদ গাজীপুরে তারেক জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব নেত্রকোণা ছাত্রদল কমিটিতে সহ-সভাপতি হলেন গোলাম কিবরিয়া

রাঙামাটিতে খাল খনন: কৃষকের উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় নতুন উদ্যোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১ Time View

রাঙামাটিতে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে আবারও শুরু হয়েছে বড় পরিসরের খাল খনন কর্মসূচি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলের পানির সংকট কমানো এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

গত রোববার সকালে রাঙামাটির সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা খালগুলো আবারও খননের মাধ্যমে সচল করা হচ্ছে।

এই রাঙামাটি খাল খনন প্রকল্পের আওতায় মোট চারটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো সাপছড়ি, কুতুকছড়ি, বন্দুকভাঙ্গা এবং বালুখালী। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রায় ৩৩ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কৃষির উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি বড় পদক্ষেপ। খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হলে সেচ সুবিধা বাড়বে, মাছ চাষ বৃদ্ধি পাবে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রকল্পটি স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। এলজিইডির প্রকৌশলীরা কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছেন।

স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন, এই খাল খননের ফলে তাদের জমিতে সেচ সুবিধা সহজ হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। এতে পাহাড়ি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সব মিলিয়ে এই খাল খনন কর্মসূচি রাঙামাটির কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগ

রাঙামাটিতে খাল খনন: কৃষকের উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় নতুন উদ্যোগ

Update Time : ০৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রাঙামাটিতে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে আবারও শুরু হয়েছে বড় পরিসরের খাল খনন কর্মসূচি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলের পানির সংকট কমানো এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

গত রোববার সকালে রাঙামাটির সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেন, কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা খালগুলো আবারও খননের মাধ্যমে সচল করা হচ্ছে।

এই রাঙামাটি খাল খনন প্রকল্পের আওতায় মোট চারটি ইউনিয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এগুলো হলো সাপছড়ি, কুতুকছড়ি, বন্দুকভাঙ্গা এবং বালুখালী। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রায় ৩৩ কিলোমিটার খাল খনন করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধু কৃষির উন্নয়ন নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার একটি বড় পদক্ষেপ। খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হলে সেচ সুবিধা বাড়বে, মাছ চাষ বৃদ্ধি পাবে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রকল্পটি স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। এলজিইডির প্রকৌশলীরা কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করছেন।

স্থানীয় কৃষকরা মনে করছেন, এই খাল খননের ফলে তাদের জমিতে সেচ সুবিধা সহজ হবে এবং ফসল উৎপাদন বাড়বে। এতে পাহাড়ি অঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সব মিলিয়ে এই খাল খনন কর্মসূচি রাঙামাটির কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।