
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : মোঃ কামাল পাশা
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মহনপুর ইউনিয়নের তাজনগর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (৭) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অভিযুক্তকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেলে। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটি সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তাজনগর গ্রামের বাসিন্দা ফৌজিয়া তার পাঁচ বছর বয়সী ছোট ভাই বাইজিতকে নিয়ে পাশের বাড়ির উঠানে খেলতে যায়। এ সময় প্রতিবেশী জিয়াউর রহমান (৪০) শিশুটির মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।
শিশুটির ভাই দৌড়ে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানালে স্বজন ও এলাকাবাসী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তের ঘরের দরজায় ডাকাডাকি শুরু করেন। একপর্যায়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শিশুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং অভিযুক্তকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
খবর পেয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানকে আটক করে। পরে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ (পিপিএম)-এর তত্ত্বাবধানে নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিশুটির চাচা মোঃ আলী আহমদ বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর–৫০, তারিখ–২৯/০১/২০২৬ ইং, ধারা– নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত), ধারা ৯(১)।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন শেখ (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “শিশুটি গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। তাকে পুলিশের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্তকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমরা আশা করছি, আদালতের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Reporter Name 









