গাজীপুর , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

শ্রীপুরে ওএমএস অনিয়ম: ডিলার পয়েন্টে দুর্নীতির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৬ Time View

রেজাউল করিম মজুমদার, গাজীপুর

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় সরকারি খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দরিদ্র মানুষের জন্য নির্ধারিত এই সেবায় স্বচ্ছতার ঘাটতি থাকায় তারা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুর উপজেলায় মোট ১৩টি ওএমএস ডিলার পয়েন্ট থাকলেও প্রতিদিন মাত্র ৭ থেকে ৮টি পয়েন্ট খোলা থাকে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালু থাকার কথা থাকলেও বেশিরভাগ পয়েন্ট বিকাল ৩টার আগেই বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরবরাহ ব্যবস্থাতেও রয়েছে বড় ধরনের অসঙ্গতি। খাদ্য গুদাম থেকে নির্ধারিত পয়েন্টে পণ্য যাওয়ার কথা থাকলেও অনেক সময় ভিন্ন গন্তব্যে গাড়ি থামানো হয়। এতে করে পণ্য বণ্টনে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একাধিক ঘটনার মধ্যে দেখা যায়, খাদ্য গুদাম থেকে বের হওয়া একটি পিকআপ নির্ধারিত ডিলার পয়েন্টে না গিয়ে অন্য স্থানে থামে। আবার কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের পরিমাণ কম বা মজুদ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। এসব ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করলে কিছু ডিলার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এদিকে, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট চালু রাখা হয় এবং কিছু সময়ে সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে সমস্যা হতে পারে। তবে অভিযোগগুলো সত্য হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এখনো কার্যকর কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় জনগণ মনে করেন, এই ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সরকারের খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং স্বচ্ছ ওএমএস ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

শ্রীপুরে ওএমএস অনিয়ম: ডিলার পয়েন্টে দুর্নীতির অভিযোগ

Update Time : ১২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রেজাউল করিম মজুমদার, গাজীপুর

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় সরকারি খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কার্যক্রমে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দরিদ্র মানুষের জন্য নির্ধারিত এই সেবায় স্বচ্ছতার ঘাটতি থাকায় তারা ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শ্রীপুর উপজেলায় মোট ১৩টি ওএমএস ডিলার পয়েন্ট থাকলেও প্রতিদিন মাত্র ৭ থেকে ৮টি পয়েন্ট খোলা থাকে। অথচ নিয়ম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালু থাকার কথা থাকলেও বেশিরভাগ পয়েন্ট বিকাল ৩টার আগেই বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে সাধারণ ভোক্তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরবরাহ ব্যবস্থাতেও রয়েছে বড় ধরনের অসঙ্গতি। খাদ্য গুদাম থেকে নির্ধারিত পয়েন্টে পণ্য যাওয়ার কথা থাকলেও অনেক সময় ভিন্ন গন্তব্যে গাড়ি থামানো হয়। এতে করে পণ্য বণ্টনে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একাধিক ঘটনার মধ্যে দেখা যায়, খাদ্য গুদাম থেকে বের হওয়া একটি পিকআপ নির্ধারিত ডিলার পয়েন্টে না গিয়ে অন্য স্থানে থামে। আবার কিছু ক্ষেত্রে পণ্যের পরিমাণ কম বা মজুদ মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। এসব ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করলে কিছু ডিলার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

এদিকে, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক পয়েন্ট চালু রাখা হয় এবং কিছু সময়ে সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে সমস্যা হতে পারে। তবে অভিযোগগুলো সত্য হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অন্যদিকে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এখনো কার্যকর কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় জনগণ মনে করেন, এই ধরনের অনিয়ম চলতে থাকলে সরকারের খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তারা দ্রুত তদন্ত, দোষীদের শাস্তি এবং স্বচ্ছ ওএমএস ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়েছেন।