গাজীপুর , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার। গৌরনদী ইউএনও ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অভিযোগ রাঙ্গামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার গাজীপুর কোনাবাড়িতে ব্যবসায়ী অপহরণ, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট: ইভটিজিংয়ে জেল, মাটি কাটায় জরিমানা নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে জিরো টলারেন্সে ইয়াবাসহ আটক ১ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সভা মিরপুরে অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি আদমদিঘী শ্রমিক ইউনিয়নে আলিফ মাহমুদের দায়িত্ব গ্রহণ

গোপালগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে যৌথ বাহিনীর জোরালো ও নিরপেক্ষ তৎপরতা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫ Time View

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি | শেখ কামরুজ্জামান (রানা)

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে জোরালো ও নিরপেক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, নাশকতা, গুজব ছড়ানো কিংবা ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করতে যৌথ বাহিনী দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন অব্যাহত রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল কার্যক্রম জোরদার করায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমানভাবে উন্নত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্বাচন বানচালের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

এদিকে, সম্ভাব্য প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার অংশ হিসেবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনী সরাসরি অংশগ্রহণ করে নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আস্থা প্রদান করছে। সভায় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।

প্রিজাইডিং অফিসারদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণ, দায়িত্ব পালনে ধৈর্য ধারণ ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাশে থাকবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জানানো হয়, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সম্মিলিতভাবে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাংবাদিকদের প্রতি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রার্থীদেরও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়। নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথ বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলেও জানানো হয়।

সার্বিকভাবে, গোপালগঞ্জ জেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে যৌথ বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার।

গোপালগঞ্জে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে যৌথ বাহিনীর জোরালো ও নিরপেক্ষ তৎপরতা

Update Time : ০৪:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি | শেখ কামরুজ্জামান (রানা)

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ সামনে রেখে গোপালগঞ্জ জেলায় শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে জোরালো ও নিরপেক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, নাশকতা, গুজব ছড়ানো কিংবা ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করতে যৌথ বাহিনী দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিকল্পিত ও পেশাদার কম্বিং অপারেশন অব্যাহত রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল কার্যক্রম জোরদার করায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমানভাবে উন্নত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান সড়ক, প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্বাচন বানচালের যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।

এদিকে, সম্ভাব্য প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার অংশ হিসেবে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সেনাবাহিনী সরাসরি অংশগ্রহণ করে নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আস্থা প্রদান করছে। সভায় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।

প্রিজাইডিং অফিসারদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, নির্বাচনী সামগ্রী সংরক্ষণ, দায়িত্ব পালনে ধৈর্য ধারণ ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ পাশে থাকবে বলেও আশ্বস্ত করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জানানো হয়, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন সম্মিলিতভাবে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাংবাদিকদের প্রতি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রার্থীদেরও নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানানো হয়। নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথ বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে বলেও জানানো হয়।

সার্বিকভাবে, গোপালগঞ্জ জেলায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে যৌথ বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নির্বাচন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।