গাজীপুর , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের বগুড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বিরলে ব্যবসায়ীকে মারধর ও ৯৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সখীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সবুজায়নে মানব কল্যাণ যুব সংঘ তিন কমিটি গঠনে প্রধানমন্ত্রীকে পিসিএনপির ধন্যবাদ ও অভিনন্দন গফরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ শুরু
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

গণরায় বাস্তবায়ন ও চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমানের কঠোর বার্তা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৩৯ Time View

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত এই সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জনরায় মানে না যে সরকার, সে জনগণের সরকার হতে পারে না।” তিনি দাবি করেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের মূল চেতনার পরিপন্থী।

তিনি আরও বলেন, জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। দেশে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তার মতে, একটি নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে।

এ সময় কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সামাজিক অস্থিরতা জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। তিনি জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবি জানান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মামুনুল হক, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বলেন, গণরায় বাস্তবায়ন ও চট্টগ্রাম সমাবেশ থেকে জনগণের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। তারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমাবেশ ১১ দলীয় ঐক্যের একটি বড় শক্তি প্রদর্শন এবং আসন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব

গণরায় বাস্তবায়ন ও চট্টগ্রাম সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমানের কঠোর বার্তা

Update Time : ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে আয়োজিত এই সমাবেশে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “জনরায় মানে না যে সরকার, সে জনগণের সরকার হতে পারে না।” তিনি দাবি করেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করা গণতন্ত্রের মূল চেতনার পরিপন্থী।

তিনি আরও বলেন, জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। দেশে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তার মতে, একটি নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান সম্ভব।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি সংকট এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে জনগণ চরম দুর্ভোগে রয়েছে।

এ সময় কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সামাজিক অস্থিরতা জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। তিনি জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদের সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবি জানান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন মামুনুল হক, জাগপার মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মাওলানা মুসা বিন ইজহার, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চল পরিচালক মুহাম্মদ শাহজাহান। এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে বক্তারা বলেন, গণরায় বাস্তবায়ন ও চট্টগ্রাম সমাবেশ থেকে জনগণের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। তারা দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমাবেশ ১১ দলীয় ঐক্যের একটি বড় শক্তি প্রদর্শন এবং আসন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।