
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় একটি চাঞ্চল্যকর রায়পুরায় ডাকাতি ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন মাহমুদাবাদ এলাকায় অবস্থিত ‘বিএলএস’ নামক একটি শিল্প কারখানায় সংঘটিত এই বিএলএস ফ্যাক্টরি ডাকাতি মামলায় জড়িত দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যানও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রায়পুরা থানার এসআই মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই জামিরুল ইসলাম, এএসআই তারেক হোসেন এবং কনস্টেবল গাভেল, জুনায়েদ ও সোবহান অংশ নেন। তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিশ্বস্ত সূত্রের সহায়তায় তারা প্রথমে নরসিংদী মডেল থানার উপজেলা মোড় এলাকা থেকে মোঃ হৃদয় নামের এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেন।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন বিকেলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার ভুলতা গাউসিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের অন্যতম হোতা নুরে আলম ওরফে মিঠাইকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, এই দুইজনই পেশাদার ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য।
উল্লেখ্য, গত ২২ মার্চ ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাতে একদল ডাকাত বিএলএস ফ্যাক্টরিতে হানা দিয়ে ব্যাপক লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় রায়পুরা থানায় মামলা নং-৫৫(৩)২৬; ধারা ৩৯৫/৩৯৮ অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়।
গ্রেফতারকৃতদের অপরাধ প্রোফাইল বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানায়, নুরে আলম ওরফে মিঠাইয়ের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মোট ৮টি মামলা রয়েছে। অপরদিকে মোঃ হৃদয়ের বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুটি ডাকাতি মামলা রয়েছে।
রায়পুরা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Reporter Name 















