
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও বড় ধরনের স্বর্ণ চোরাচালানের ঘটনা সামনে এসেছে। দুবাই থেকে আসা একটি ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট অবতরণের পর থেকেই সেটিকে নজরদারিতে রাখা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই সতর্ক ছিল সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। পরে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে বিমানের কার্গো কম্পার্টমেন্টে তল্লাশি চালান।
তল্লাশির এক পর্যায়ে কার্গো অংশের টয়লেট প্যানেলের ভেতরে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় ১৫৩টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। সাদা কাপড়ে মোড়ানো এসব বার অত্যন্ত কৌশলে রাখা হয়েছিল, যাতে সাধারণ তল্লাশিতে ধরা না পড়ে। তবে নির্দিষ্ট তথ্য থাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সরাসরি সেই জায়গাতেই অভিযান চালিয়ে সফল হয়।
উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট ওজন প্রায় ১৭ কেজি ৯০১ গ্রাম। এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৮ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে, স্বর্ণ চোরাচালান চক্র কতটা পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এবং বিমানবন্দরকে ব্যবহার করছে।
উদ্ধারকৃত স্বর্ণ ইতোমধ্যে বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। পাশাপাশি বিমানবন্দর থানায় মামলার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিমানবন্দরে সোনার বার উদ্ধার এবং স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নিয়মিত তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হলে এমন ঘটনা কমে আসতে পারে।

Reporter Name 









