গাজীপুর , মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
দোয়ারাবাজারে বালু ব্যবসায়ীর চার নৌকা দখলের অভিযোগ সাংবাদিকের ওপর হামলায় দুই আসামি গ্রেপ্তার, মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আড়াইহাজারে জেলের জালে মিলল লুট হওয়া শর্টগান, তদন্তে নেমেছে পুলিশ বিরলে বজ্রপাতে মৃ/ত্যু: সেচের পানি দিতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু ক্লিন ময়মনসিংহ কর্মসূচিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতায় ব্যাপক সাড়া হারাগাছে নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার রাইখালীতে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন, বাড়ছে পরিবেশ ধ্বংসের ঝুঁকি সাংবাদিক ও শিক্ষানবিশআইনজীবী সাদিক হোসেন এপলু গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগ
ভোটের হাওয়া
পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল মান্দা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল: অপপ্রচার ও অশিষ্ট রাজনীতির প্রতিবাদ গাজীপুরে তারেক জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব

ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। জমির নামজারি (মিউটেশন), খাজনা আদায়, দাখিলা প্রদানসহ বিভিন্ন সেবায় অতিরিক্ত অর্থ দাবি এবং দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা না দিলে কোনো ফাইলই এগোয় না। এমনকি আবেদন জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা, আবেদনপত্র ‘খুঁজে না পাওয়া’ কিংবা অযৌক্তিক কারণ দেখিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে, দালালদের মাধ্যমে ঘুষের টাকা পরিশোধ করলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিটি নামজারি খারিজের নথির জন্য ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। এছাড়া ১৪৪ ধারা, মিসকেসসহ বিভিন্ন মামলার প্রতিবেদনে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি খাজনার অঙ্ক বাড়িয়ে দেখানো এবং পরে টাকার বিনিময়ে তা কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, অফিসে একটি দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে। দালালদের মাধ্যমে কাজ না করলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ফলে গ্রামের সহজ-সরল ভূমি মালিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং পরবর্তীতে জমি সংক্রান্ত মামলাজটিলতায় জড়িয়ে পড়ছেন।

বর্তমানে ভূমি সংক্রান্ত অধিকাংশ কার্যক্রম অনলাইনে হলেও বাস্তবে হার্ড কপি জমা দেওয়ার পর শুরু হয় নানা জটিলতা। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষের টাকা ছাড়া আবেদন করলে ফাইল দীর্ঘদিন টেবিলে পড়ে থাকে। অথচ অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করলে অল্প সময়েই কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়।

এ বিষয়ে কথা বলতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে প্রতিবেদকের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ভূমি সংক্রান্ত পরামর্শ চাইতেও গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অসদাচরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সুষ্ঠু তদারকি না থাকায় অনিয়ম বেড়েই চলেছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

দোয়ারাবাজারে বালু ব্যবসায়ীর চার নৌকা দখলের অভিযোগ

ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ

Update Time : ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম-দুর্নীতি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। জমির নামজারি (মিউটেশন), খাজনা আদায়, দাখিলা প্রদানসহ বিভিন্ন সেবায় অতিরিক্ত অর্থ দাবি এবং দালাল সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কাজ করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ স্থানীয় সেবাগ্রহীতারা।

ভুক্তভোগীদের দাবি, নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অতিরিক্ত টাকা না দিলে কোনো ফাইলই এগোয় না। এমনকি আবেদন জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা, আবেদনপত্র ‘খুঁজে না পাওয়া’ কিংবা অযৌক্তিক কারণ দেখিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে, দালালদের মাধ্যমে ঘুষের টাকা পরিশোধ করলে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন অনেকে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রতিটি নামজারি খারিজের নথির জন্য ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়। এছাড়া ১৪৪ ধারা, মিসকেসসহ বিভিন্ন মামলার প্রতিবেদনে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি খাজনার অঙ্ক বাড়িয়ে দেখানো এবং পরে টাকার বিনিময়ে তা কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, অফিসে একটি দালাল চক্র সক্রিয় রয়েছে। দালালদের মাধ্যমে কাজ না করলে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ফলে গ্রামের সহজ-সরল ভূমি মালিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং পরবর্তীতে জমি সংক্রান্ত মামলাজটিলতায় জড়িয়ে পড়ছেন।

বর্তমানে ভূমি সংক্রান্ত অধিকাংশ কার্যক্রম অনলাইনে হলেও বাস্তবে হার্ড কপি জমা দেওয়ার পর শুরু হয় নানা জটিলতা। অভিযোগ উঠেছে, ঘুষের টাকা ছাড়া আবেদন করলে ফাইল দীর্ঘদিন টেবিলে পড়ে থাকে। অথচ অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করলে অল্প সময়েই কাজ সম্পন্ন হয়ে যায়।

এ বিষয়ে কথা বলতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে প্রতিবেদকের সঙ্গেও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় বলে জানা গেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ভূমি সংক্রান্ত পরামর্শ চাইতেও গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অসদাচরণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সুষ্ঠু তদারকি না থাকায় অনিয়ম বেড়েই চলেছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা