গাজীপুর , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
পাঁচবিবিতে ৭০ ছাত্রী পেল বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ পেল ২০০ শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা উদ্ধার: ১০০ কিলোমিটার ধাওয়া করে ট্রাকচালক আটক বাসন থানার অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচ, গাঁজা ও ডাকাতি মামলার আসামি নওগাঁয় ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক, জুয়ায় হেরে গ্রেপ্তার ৬ নবাবগঞ্জে গাছের ডাল পড়ে আরোহীর মৃত্যু, ছেলে গুরুতর আহত পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বাসনে সোহেলকে ঘিরে প্রশ্ন সরাইল–নাসিরনগর–লাখাই সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ময়মনসিংহে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ পালিত বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে আকাশ মাহমুদের বহুমুখী পথচলা
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৩ Time View

ঠাকুরগাঁও জেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। ২৫ এপ্রিল রাতে শুরু হওয়া প্রবল দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান, ভুট্টা এবং শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পাকা ধান ও ভুট্টা মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় উৎপাদন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। কিন্তু এই ঝড়ে তাদের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। ২৬ এপ্রিল দুপুরের দিকে আবারও ঝড়ো হাওয়া পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এখন তারা ঋণের চাপ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে গত ১২ ও ১৩ মার্চের ঝড়-বৃষ্টিতেও একই ধরনের ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ও কৃষকরা কোনো উল্লেখযোগ্য সরকারি সহায়তা পাননি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস তাদের কাছে পৌঁছায় না। যদিও এখন প্রযুক্তির যুগ, তবুও মাঠপর্যায়ে এই সুবিধা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। যদি আগাম সতর্কতা পাওয়া যেত, তাহলে কিছুটা হলেও ক্ষতি কমানো সম্ভব হতো।

এদিকে ঝড়ের কারণে অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং পুনর্বাসন চান। তারা বলছেন, এখনই সহায়তা না পেলে ভবিষ্যতে চাষাবাদ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষকদের ফসল ক্ষতি কমাতে উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও দ্রুত সহায়তা জরুরি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পাঁচবিবিতে ৭০ ছাত্রী পেল বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ পেল ২০০ শিক্ষার্থী

ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

Update Time : ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ঠাকুরগাঁও জেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড় কৃষকদের জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। ২৫ এপ্রিল রাতে শুরু হওয়া প্রবল দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান, ভুট্টা এবং শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে পাকা ধান ও ভুট্টা মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় উৎপাদন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। কিন্তু এই ঝড়ে তাদের স্বপ্ন ভেঙে গেছে। ২৬ এপ্রিল দুপুরের দিকে আবারও ঝড়ো হাওয়া পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তোলে। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এখন তারা ঋণের চাপ ও ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগে গত ১২ ও ১৩ মার্চের ঝড়-বৃষ্টিতেও একই ধরনের ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়ও কৃষকরা কোনো উল্লেখযোগ্য সরকারি সহায়তা পাননি। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস তাদের কাছে পৌঁছায় না। যদিও এখন প্রযুক্তির যুগ, তবুও মাঠপর্যায়ে এই সুবিধা সঠিকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। যদি আগাম সতর্কতা পাওয়া যেত, তাহলে কিছুটা হলেও ক্ষতি কমানো সম্ভব হতো।

এদিকে ঝড়ের কারণে অনেক জায়গায় গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

কৃষকরা দ্রুত সরকারি সহায়তা, প্রণোদনা এবং পুনর্বাসন চান। তারা বলছেন, এখনই সহায়তা না পেলে ভবিষ্যতে চাষাবাদ চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কৃষকদের ফসল ক্ষতি কমাতে উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা ও দ্রুত সহায়তা জরুরি।