গাজীপুর , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার। গৌরনদী ইউএনও ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অভিযোগ রাঙ্গামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার গাজীপুর কোনাবাড়িতে ব্যবসায়ী অপহরণ, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট: ইভটিজিংয়ে জেল, মাটি কাটায় জরিমানা নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে জিরো টলারেন্সে ইয়াবাসহ আটক ১ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সভা মিরপুরে অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি আদমদিঘী শ্রমিক ইউনিয়নে আলিফ মাহমুদের দায়িত্ব গ্রহণ

টঙ্গী–উত্তরায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা: অধরা আসামি, উদ্বেগে জনমত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩০ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গাজীপুরের টঙ্গী ও ঢাকার উত্তরা এলাকায় সংঘবদ্ধ হামলা, দাঙ্গা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হলেও প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, গুরুতর ধারায় মামলা থাকলেও কিছু প্রভাবশালী আসামি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানা–এ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে দায়ের হওয়া এফআইআর নম্বর ২১–এ সংঘবদ্ধ হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মামলার বাদী মোসাঃ আলেয়া (৫৫), আউচপাড়া (উত্তর) এলাকার বাসিন্দা। এজাহার অনুযায়ী, গত ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন আউচপাড়ার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা–এর প্রধান ফটকের সামনে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটি দাঙ্গা, অবৈধ সমাবেশ, হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখম সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় দায়ের হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, উত্তরা পূর্ব থানা–এ গত ৪ আগস্ট ২০২৪ আজমপুর এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও একাধিক আসামির নাম রয়েছে। ঘটনাস্থল ছিল আজমপুর প্রাইমারি স্কুল ও আমির কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকা। মামলায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা খবির আহমেদ কবির ওরফে ‘পিস্তল কবির’সহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গুরুতর ধারায় মামলা থাকলেও প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ছাত্রনেতাদের অভিযোগ, একাধিক থানায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা থাকা সত্ত্বেও কিছু আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য, প্রতিটি মামলাই তদন্তাধীন এবং প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আলোচিত এসব মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও আসামি গ্রেপ্তারই এখন জনমতের বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার।

টঙ্গী–উত্তরায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা: অধরা আসামি, উদ্বেগে জনমত

Update Time : ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গাজীপুরের টঙ্গী ও ঢাকার উত্তরা এলাকায় সংঘবদ্ধ হামলা, দাঙ্গা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হলেও প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, গুরুতর ধারায় মামলা থাকলেও কিছু প্রভাবশালী আসামি প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পশ্চিম থানা–এ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে দায়ের হওয়া এফআইআর নম্বর ২১–এ সংঘবদ্ধ হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মামলার বাদী মোসাঃ আলেয়া (৫৫), আউচপাড়া (উত্তর) এলাকার বাসিন্দা। এজাহার অনুযায়ী, গত ২০ জুন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন আউচপাড়ার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডে তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা–এর প্রধান ফটকের সামনে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলাটি দাঙ্গা, অবৈধ সমাবেশ, হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখম সংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় দায়ের হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে, উত্তরা পূর্ব থানা–এ গত ৪ আগস্ট ২০২৪ আজমপুর এলাকায় সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায়ও একাধিক আসামির নাম রয়েছে। ঘটনাস্থল ছিল আজমপুর প্রাইমারি স্কুল ও আমির কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকা। মামলায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা খবির আহমেদ কবির ওরফে ‘পিস্তল কবির’সহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গুরুতর ধারায় মামলা থাকলেও প্রধান অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ছাত্রনেতাদের অভিযোগ, একাধিক থানায় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা থাকা সত্ত্বেও কিছু আসামি ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য, প্রতিটি মামলাই তদন্তাধীন এবং প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আলোচিত এসব মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও আসামি গ্রেপ্তারই এখন জনমতের বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।