গাজীপুর , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক অভিযানে হেলমেট সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার ঠাকুরগাঁও টাঙ্গন নদীতে স্কুল ছাত্র নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধার কালাকৈরে মতবিনিময় সভা শেষে উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রশাসক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নেত্রকোনায় মানববন্ধন প্রাথমিক গোল্ড কাপ ফাইনাল ঘিরে জেলা প্রশাসকের শুভেচ্ছা বিনিময় আখাউড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যু মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি আয়াত হত্যা মামলা: চট্টগ্রাম আদালতে আবীরের মৃত্যুদণ্ড স্বেচ্ছাসেবক শক্তি কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি গঠন তাজ আহ্বায়ক নওগাঁ আত্রাইয়ে রেললাইনের পাশে শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার বিজয়নগর আদমপুর উত্তরপাড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহনে ইট সলিং দাবি

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪০ Time View

মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে চালকদের ভিড় বেড়েছে। সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগে ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। এতে নগরীর বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।
৭ মার্চ(শনিবার) সকালে নগরীর গণি বেকারি মোড়ের কিউসি ট্রেডিং লিমিটেড ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, পাম্পের ভেতর থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন চলে গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে চান্দগাঁও ফিলিং স্টেশনেও। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে দ্রুত তেল সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে দেখা যায় কর্মচারীদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাঁচলাইশ, ষোলশহর, অক্সিজেন ও নতুন ব্রিজসহ নগরের বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বেশিরভাগ চালকই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাম্পে মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে।
গত শুক্রবার থেকে নগরের বিভিন্ন পাম্পে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করে। পাম্প কর্মচারীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন দেড় থেকে দুইগুণ বেশি যানবাহন তেল নিতে আসছে। অনেক চালক সরাসরি ফুল ট্যাংক করতে চাইছেন। এতে প্রতিটি গাড়িতে তেল দিতে বেশি সময় লাগছে এবং লাইনের চাপ বাড়ছে।
বর্তমানে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চান্দগাঁও ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সেলিম উল্লাহ জানান, তাদের কাছে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং দামও বাড়েনি। তবুও আতঙ্কে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনছেন।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অযথা বেশি তেল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আমীর মাসুদ বলেন, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তেলের সংকট হয়েছে বলে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক অভিযানে হেলমেট সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

Update Time : ০৫:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল নিতে চালকদের ভিড় বেড়েছে। সম্ভাব্য সরবরাহ সংকট ও দাম বাড়ার আশঙ্কায় অনেকেই আগেভাগে ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। এতে নগরীর বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।
৭ মার্চ(শনিবার) সকালে নগরীর গণি বেকারি মোড়ের কিউসি ট্রেডিং লিমিটেড ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, পাম্পের ভেতর থেকে সড়ক পর্যন্ত গাড়ির লাইন চলে গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে চান্দগাঁও ফিলিং স্টেশনেও। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে দ্রুত তেল সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে দেখা যায় কর্মচারীদের।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাঁচলাইশ, ষোলশহর, অক্সিজেন ও নতুন ব্রিজসহ নগরের বিভিন্ন এলাকার ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বেশিরভাগ চালকই ট্যাংক পূর্ণ করে তেল নিচ্ছেন। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় কিছু পাম্পে মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে।
গত শুক্রবার থেকে নগরের বিভিন্ন পাম্পে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করে। পাম্প কর্মচারীরা জানান, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন দেড় থেকে দুইগুণ বেশি যানবাহন তেল নিতে আসছে। অনেক চালক সরাসরি ফুল ট্যাংক করতে চাইছেন। এতে প্রতিটি গাড়িতে তেল দিতে বেশি সময় লাগছে এবং লাইনের চাপ বাড়ছে।
বর্তমানে ফিলিং স্টেশনগুলোতে ডিজেল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা, কেরোসিন ১১২ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা এবং পেট্রোল ১১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চান্দগাঁও ফিলিং স্টেশনের অপারেটর সেলিম উল্লাহ জানান, তাদের কাছে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং দামও বাড়েনি। তবুও আতঙ্কে মানুষ অতিরিক্ত তেল কিনছেন।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড ও পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
পদ্মা অয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মফিজুর রহমান বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অযথা বেশি তেল কিনে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করার জন্য তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান।
যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আমীর মাসুদ বলেন, তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তেলের সংকট হয়েছে বলে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, তা সঠিক নয়।