গাজীপুর , শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার। গৌরনদী ইউএনও ইব্রাহীমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচার অভিযোগ রাঙ্গামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৪ মাদকসেবী গ্রেফতার গাজীপুর কোনাবাড়িতে ব্যবসায়ী অপহরণ, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার কালীগঞ্জে মোবাইল কোর্ট: ইভটিজিংয়ে জেল, মাটি কাটায় জরিমানা নিয়ামতপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮০০ ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার রাঙামাটিতে জিরো টলারেন্সে ইয়াবাসহ আটক ১ শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সভা মিরপুরে অনুষ্ঠিত ধনবাড়ীতে সাংবাদিকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি আদমদিঘী শ্রমিক ইউনিয়নে আলিফ মাহমুদের দায়িত্ব গ্রহণ

চট্টগ্রামে জাল দলিলে নামজারি: এসিল্যান্ডসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • ২৪ Time View

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জাল দলিল তৈরি করে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক সাখাওয়াত হোসেনের আদালতে গিয়াস উদ্দীন খাঁন নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৫০৬(২), ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বিবাদীরা হলেন— নওশাদুল ইসলাম খাঁন, মোছাম্মৎ সৈয়দা নুসরাত জাহান চৌধুরী, জেরিন ইসলাম খানম, তাসনিম ইসলাম খানম, আকিবুল ইসলাম খান, রিয়াজুল ইসলাম খান মহিউদ্দীন শাহ, মুজাফফর আহাম্মদ খাঁন, তাপস দেওয়ানী, মোহাম্মদ শের আলী শাহ, দিদারুল ইসলাম খাঁন ও দিলীপ চৌধুরী।

এ ছাড়া হাটহাজারী উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ উল্যাহ, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা জুলকার নাঈম, ভারপ্রাপ্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কাজী আশরাফ উদ্দীন এবং উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো এম এ সাত্তার খানকেও বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ফতেয়াবাদ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর ‘নির্দ্দায় ছাফ বিক্রয় কবলা পত্র’ শিরোনামে একটি ভুয়া দলিল তৈরি করেন। ওই দলিলে গিয়াস উদ্দীন খাঁনের মৃত চাচা ফোরক আহাম্মদ খান ও বাবা ফরিদ আহম্মদ খানকে জীবিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর ও টিপসই ব্যবহার করা হয়। অথচ ফোরক আহম্মদ খান ১৯৯২ সালে এবং ফরিদ আহম্মদ খান ১৯৮৭ সালে মারা যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই ভুয়া দলিল ব্যবহার করে হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দলিলের সত্যতা যাচাই না করে এবং বাদীকে কোনো নোটিশ না দিয়েই ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট নামজারি খতিয়ান তৈরি করে দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে গিয়াস উদ্দীন খাঁন আসামিদের বসতঘরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নেত্রকোনা এসপির উদ্যোগে ১৫ দিনে হারানো মোবাইল উদ্ধার।

চট্টগ্রামে জাল দলিলে নামজারি: এসিল্যান্ডসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : ০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জাল দলিল তৈরি করে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগে সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) চট্টগ্রাম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক সাখাওয়াত হোসেনের আদালতে গিয়াস উদ্দীন খাঁন নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন। আদালত অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৬, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৫০৬(২), ১০৯ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার বিবাদীরা হলেন— নওশাদুল ইসলাম খাঁন, মোছাম্মৎ সৈয়দা নুসরাত জাহান চৌধুরী, জেরিন ইসলাম খানম, তাসনিম ইসলাম খানম, আকিবুল ইসলাম খান, রিয়াজুল ইসলাম খান মহিউদ্দীন শাহ, মুজাফফর আহাম্মদ খাঁন, তাপস দেওয়ানী, মোহাম্মদ শের আলী শাহ, দিদারুল ইসলাম খাঁন ও দিলীপ চৌধুরী।

এ ছাড়া হাটহাজারী উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ উল্যাহ, ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা জুলকার নাঈম, ভারপ্রাপ্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কাজী আশরাফ উদ্দীন এবং উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো এম এ সাত্তার খানকেও বিবাদী করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ফতেয়াবাদ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ১৯৯৯ সালের ১০ অক্টোবর ‘নির্দ্দায় ছাফ বিক্রয় কবলা পত্র’ শিরোনামে একটি ভুয়া দলিল তৈরি করেন। ওই দলিলে গিয়াস উদ্দীন খাঁনের মৃত চাচা ফোরক আহাম্মদ খান ও বাবা ফরিদ আহম্মদ খানকে জীবিত দেখিয়ে ভুয়া স্বাক্ষর ও টিপসই ব্যবহার করা হয়। অথচ ফোরক আহম্মদ খান ১৯৯২ সালে এবং ফরিদ আহম্মদ খান ১৯৮৭ সালে মারা যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই ভুয়া দলিল ব্যবহার করে হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দলিলের সত্যতা যাচাই না করে এবং বাদীকে কোনো নোটিশ না দিয়েই ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট নামজারি খতিয়ান তৈরি করে দেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে গিয়াস উদ্দীন খাঁন আসামিদের বসতঘরে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।