
নিজস্ব প্রতিনিধি
সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১১ নং লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে সমাজসেবক, সংগঠক, কবি, সাংবাদিক ও শিক্ষানবিশআইনজীবী সাদিক হোসেন এপলু অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে স্থানীয়দের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক কার্যক্রম এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে একটি পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখে পরিণত হয়েছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাদিক হোসেন এপলু দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে আসছেন। শিক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, মানবিক সহায়তা, যুব উন্নয়ন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো উদ্যোগ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় ছাত্র-যুবকদের শিক্ষা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে তিনি বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিয়েছেন। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি একজন সহযোগিতাপূর্ণ ও সহজে যোগাযোগযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
এলাকাবাসীর মতে, লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন সামনে রেখে যেসব নাম আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে সাদিক হোসেন এপলু সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন। দলীয় পরিচয়ের বাইরে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তার জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ, চিকিৎসা সহায়তা, অসচ্ছল পরিবারের সহযোগিতা এবং বিভিন্ন সামাজিক সংকটে তিনি নিয়মিতভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এছাড়া বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করার ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা পালন করে আসছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তার বিভিন্ন উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শুধু রাজনৈতিক পরিচয় নয়, প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই বিবেচনায় সাদিক হোসেন এপলু নিজের ধারাবাহিক সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বলে অনেকেই মনে করছেন।
তবে এখনো নির্বাচন কিংবা মনোনয়ন সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের তফসিল এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের ভাষ্য, উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে সক্ষম নেতৃত্বই তারা ইউনিয়ন পরিষদে দেখতে চান। তাদের মতে, বিগত সময়ে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে।
এদিকে ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সাদিক হোসেন এপলু-এর উপস্থিতি এবং মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তাকে আলোচনায় রেখেছে। স্থানীয়দের একটি অংশ মনে করছেন, আসন্ন লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন ঘিরে তিনি সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তবে নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায় এবং আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

Reporter Name 








