গাজীপুর , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
পূবাইল চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চাচিকে নিয়ে ভাতিজা উধাও, এলাকায় তোলপাড় মসজিদে সেজদায় বৃদ্ধ মুসল্লি খুন, শ্রীমঙ্গলে ঘাতক আটক রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদল কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে ঢাকা প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন ও কর্মসূচি ঘোষণা নগরকান্দায় স্বর্ণালংকার চুরি: সালিস নিয়ে অপপ্রচার হবিগঞ্জে গণমাধ্যম দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে বিজিবি অভিযান: ভারতীয় বিস্কুট ও চানাচুরসহ বিপুল পণ্য আটক অস্ট্রেলিয়া চাকরি প্রতারণায় ৬০ লাখ আত্মসাৎ, গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নতুন কুড়ি স্পোর্টস উদ্বোধন, দেশব্যাপী ক্রীড়া উদ্যোগ শুরু পীরগঞ্জে ৩.৫ কোটি টাকায় ১৩ কিমি খাল পুনঃখনন উদ্বোধন
ভোটের হাওয়া

ভোগড়া বাইপাস ফ্লাইওভারে ট্রাফিক পুলিশের সিন্ডিকেট অভিযোগে চাঞ্চল্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩১ Time View

রেজাউল করিম মজুমদার, গাজীপুর

গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকায় নবনির্মিত ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘিরে ভোগড়া বাইপাস ফ্লাইভওভার এলাকায় নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় চালক ও শ্রমিকদের দাবি, ফ্লাইওভারে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের নামে কিছু ট্রাফিক সদস্যের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের সিন্ডিকেট অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোগড়া বাইপাস টোল প্লাজা ও ফ্লাইওভারের আশপাশে ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। তবে চালকদের অভিযোগ, অনেক সময় তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফ্লাইওভারের ওপর গাড়ি উঠতে বাধ্য করা হয়। যারা নিচের সড়ক ব্যবহার করতে চান, তাদের লাঠি বা সিগন্যাল দিয়ে ওপরের রাস্তায় পাঠানো হয় বলে দাবি করেছেন অনেকে।

ড্রাইভারদের অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্লাইওভারে ওঠা না চাইলে রেকার বা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ট্রাক, বাস, মিনি পিকআপ ও সিএনজি চালকরা জানান, টোল ও বিভিন্ন খরচের কারণে তারা আর্থিক চাপে পড়ছেন। অনেক সময় টাকা না থাকলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য হতে হয় বলেও তারা অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ফ্লাইওভার চালু হওয়ার ফলে যান চলাচল সহজ হলেও নতুন ধরনের ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, তাদের গন্তব্য ফ্লাইওভার ব্যবহারের জন্য উপযোগী না হলেও জোর করে সেখানে পাঠানো হচ্ছে।

অন্যদিকে এক ট্রাফিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা ঊর্ধ্বতন নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইওভার ব্যবস্থাপনার কাজ করছেন। তবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো অনুপস্থিত।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

পূবাইল চাঞ্চল্যকর ঘটনা: চাচিকে নিয়ে ভাতিজা উধাও, এলাকায় তোলপাড়

ভোগড়া বাইপাস ফ্লাইওভারে ট্রাফিক পুলিশের সিন্ডিকেট অভিযোগে চাঞ্চল্য

Update Time : ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

রেজাউল করিম মজুমদার, গাজীপুর

গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া বাইপাস এলাকায় নবনির্মিত ঢাকা বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঘিরে ভোগড়া বাইপাস ফ্লাইভওভার এলাকায় নানা অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় চালক ও শ্রমিকদের দাবি, ফ্লাইওভারে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের নামে কিছু ট্রাফিক সদস্যের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের সিন্ডিকেট অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোগড়া বাইপাস টোল প্লাজা ও ফ্লাইওভারের আশপাশে ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। তবে চালকদের অভিযোগ, অনেক সময় তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফ্লাইওভারের ওপর গাড়ি উঠতে বাধ্য করা হয়। যারা নিচের সড়ক ব্যবহার করতে চান, তাদের লাঠি বা সিগন্যাল দিয়ে ওপরের রাস্তায় পাঠানো হয় বলে দাবি করেছেন অনেকে।

ড্রাইভারদের অভিযোগ অনুযায়ী, ফ্লাইওভারে ওঠা না চাইলে রেকার বা মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে টাকা নিয়ে গাড়ি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। ট্রাক, বাস, মিনি পিকআপ ও সিএনজি চালকরা জানান, টোল ও বিভিন্ন খরচের কারণে তারা আর্থিক চাপে পড়ছেন। অনেক সময় টাকা না থাকলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে বাধ্য হতে হয় বলেও তারা অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ফ্লাইওভার চালু হওয়ার ফলে যান চলাচল সহজ হলেও নতুন ধরনের ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, তাদের গন্তব্য ফ্লাইওভার ব্যবহারের জন্য উপযোগী না হলেও জোর করে সেখানে পাঠানো হচ্ছে।

অন্যদিকে এক ট্রাফিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা ঊর্ধ্বতন নির্দেশনা অনুযায়ী ফ্লাইওভার ব্যবস্থাপনার কাজ করছেন। তবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চাননি।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো অনুপস্থিত।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে।