গাজীপুর , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন চট্টগ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব গাজীপুরে ড্রেন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন এলাকাবাসী উত্তরায় বাস দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ক্ষোভ দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা রাঙ্গামাটি হাসপাতালে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. ওমর ফারুকের অবসর ২০ জুলাই কারফিউ: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সেনা মোতায়েন, স্তব্ধ ময়মনসিংহে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ছাতকে রহস্যজনক মৃত্যু: পিতা-পুত্রের পাল্টাপাল্টি মামলা, তদন্তের দাবি
ভোটের হাওয়া
দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল মান্দা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল: অপপ্রচার ও অশিষ্ট রাজনীতির প্রতিবাদ গাজীপুরে তারেক জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব নেত্রকোণা ছাত্রদল কমিটিতে সহ-সভাপতি হলেন গোলাম কিবরিয়া

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাংবাদিক হেনস্তা ও অনুপস্থিতি বিতর্ক

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৩৮ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে উপ-পরিচালকের (ডিডি) অনুপস্থিতি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টা বাজলেও অফিসে উপস্থিত ছিলেন না ডিডি মো. সাজেদুল হাসান। একই সঙ্গে তথ্য জানতে যাওয়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় এবং একাধিক কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে দৈনিক নববাণীর দুই সাংবাদিক জেলা ও সদর প্রতিনিধি কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য যান। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক (অ্যাকাউন্ট অফিসার) আশিক তাদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, “আপনারা কোন টিভির সাংবাদিক?” এর জবাবে সাংবাদিকরা জানান, পত্রিকার সাংবাদিকরাও সাংবাদিক।

এই বক্তব্যের পরপরই সেখানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হিসাবরক্ষক আশিক সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং তথ্য দিতে অনাগ্রহ দেখান। পরে ডিডির অবস্থান জানতে চাইলে তিনি জানান, ডিডি অভিযানে আছেন।

তবে পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে ডিডি সাজেদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিসে মিটিংয়ে আছেন এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে অফিসে ফিরবেন। কিন্তু জেলা প্রশাসকের দপ্তরের সিএ জাকারিয়া বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং জানান, ওই সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো মিটিং ছিল না।

এছাড়া কার্যালয়ের ভেতরে থাকা সাব-ইন্সপেক্টর ও এএসআই রবিউলও সাংবাদিকদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রেসক্লাব সদস্য কি না তা জানতে চান। এতে সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ ও চাপ প্রয়োগের পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে প্রায় ৫০ মিনিট পর ডিডি সাজেদুল হাসান সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি অফিস স্টাফদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমাদের অফিসের স্টাফদের এমন আচরণ অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।”

এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর” কার্যালয়ের কার্যক্রম এবং “সাংবাদিক হেনস্তা” ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাংবাদিক হেনস্তা ও অনুপস্থিতি বিতর্ক

Update Time : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে উপ-পরিচালকের (ডিডি) অনুপস্থিতি এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বেলা সাড়ে ১১টা বাজলেও অফিসে উপস্থিত ছিলেন না ডিডি মো. সাজেদুল হাসান। একই সঙ্গে তথ্য জানতে যাওয়া সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় এবং একাধিক কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ১০টার দিকে দৈনিক নববাণীর দুই সাংবাদিক জেলা ও সদর প্রতিনিধি কার্যালয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য যান। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কার্যালয়ের হিসাবরক্ষক (অ্যাকাউন্ট অফিসার) আশিক তাদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, “আপনারা কোন টিভির সাংবাদিক?” এর জবাবে সাংবাদিকরা জানান, পত্রিকার সাংবাদিকরাও সাংবাদিক।

এই বক্তব্যের পরপরই সেখানে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, হিসাবরক্ষক আশিক সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং তথ্য দিতে অনাগ্রহ দেখান। পরে ডিডির অবস্থান জানতে চাইলে তিনি জানান, ডিডি অভিযানে আছেন।

তবে পরবর্তীতে মোবাইল ফোনে ডিডি সাজেদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অফিসে মিটিংয়ে আছেন এবং ৩০ মিনিটের মধ্যে অফিসে ফিরবেন। কিন্তু জেলা প্রশাসকের দপ্তরের সিএ জাকারিয়া বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং জানান, ওই সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো মিটিং ছিল না।

এছাড়া কার্যালয়ের ভেতরে থাকা সাব-ইন্সপেক্টর ও এএসআই রবিউলও সাংবাদিকদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রেসক্লাব সদস্য কি না তা জানতে চান। এতে সাংবাদিকদের পেশাগত পরিচয় নিয়ে এক ধরনের সন্দেহ ও চাপ প্রয়োগের পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে প্রায় ৫০ মিনিট পর ডিডি সাজেদুল হাসান সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি অফিস স্টাফদের আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমাদের অফিসের স্টাফদের এমন আচরণ অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।”

এই ঘটনায় স্থানীয়ভাবে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর” কার্যালয়ের কার্যক্রম এবং “সাংবাদিক হেনস্তা” ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, সরকারি দপ্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।