
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমায় পরিবেশ রক্ষা ও সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে মানব কল্যাণ যুব সংঘ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে সংগঠনটির উদ্যোগে নতুন নির্মিত সড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।
শোলাপ্রতিমা ক্লাব ঘর থেকে শোলাপ্রতিমা ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে চারা রোপণের মধ্য দিয়ে সখীপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে অংশ নেন।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন মানব কল্যাণ যুব সংঘের সহ-সভাপতি জুলহাস আহমেদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক নাহিদ ইসলাম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র উপদেষ্টা কামরুল হাসান মুন্না, প্রধান উপদেষ্টা আরিফুল ইসলাম এবং উপদেষ্টা আলিম মাহমুদসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন নির্মিত সড়কের দুই পাশে সবুজ পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এমন উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গাছ লাগানোর বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।
মানব কল্যাণ যুব সংঘের সহ-সভাপতি জুলহাস আহমেদ বলেন, পরিবেশ রক্ষা এবং এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যেই ছোট পরিসরে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কর্মসূচির পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে গাছের গুরুত্ব অনেক। তাই শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, রোপণ করা গাছগুলোর পরিচর্যার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাছ মানুষের জন্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশকে সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। তাই নতুন সড়কের পাশে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া তৈরি করবে বলে তারা আশা করছেন।
মানব কল্যাণ যুব সংঘ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও পরিবেশ রক্ষা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে। সংগঠনটির এমন কার্যক্রম স্থানীয় তরুণদের সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে সহায়ক হবে।
শোলাপ্রতিমার নতুন সড়কের পাশে রোপণ করা গাছগুলো নিয়মিত পরিচর্যা করা হলে কয়েক বছর পর সড়কটি আরও সবুজ ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে এটি স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীদের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করবে। এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষায় ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Reporter Name 


















