গাজীপুর , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

গাজীপুরে অবৈধ কারখানায় তৈরি হচ্ছিল ভীম সাবান ও ওয়াশিং পাউডার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৭৭ Time View

ক্রাইম রিপোর্টার :

গাজীপুর মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আমবাগ পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি অবৈধ ও অনুমোদনহীন কারখানায় ভীম সাবান ও ওয়াশিং পাউডার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেখানে নিম্নমানের রাসায়নিক ব্যবহার করে এসব পণ্য তৈরি করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করিমের ৫ তলা ভবনের পাশের বাগান মার্কেট এলাকায় গড়ে ওঠা এই কারখানায় দিন-রাত সাবান ও ওয়াশিং পাউডার উৎপাদন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কারখানাটির কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, বিএসটিআই, ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ভ্যাট সংক্রান্ত কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ও রং ব্যবহার করে সাবান ও ওয়াশিং পাউডার তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব রাসায়নিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। উৎপাদিত পণ্য পরে বিভিন্ন প্যাকেটে বাজারজাত করা হয়।

আরও জানা যায়, কারখানাটিতে অধিকাংশ শ্রমিকই শিশু ও কিশোর বয়সী। তারা কম মজুরিতে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে কারখানাটি।

কারখানার কয়েকজন কর্মচারী জানান, তারা মাসিক বেতনে কাজ করেন এবং মালিকের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়ে কারখানার মালিক মো. সুলতান আহমেদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি প্রথমে বিভিন্ন অজুহাত দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদনহীন কারখানায় তৈরি নিম্নমানের সাবান ও ওয়াশিং পাউডার ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বাজারে বিক্রি হওয়া পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

গাজীপুরে অবৈধ কারখানায় তৈরি হচ্ছিল ভীম সাবান ও ওয়াশিং পাউডার

Update Time : ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ক্রাইম রিপোর্টার :

গাজীপুর মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের আমবাগ পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি অবৈধ ও অনুমোদনহীন কারখানায় ভীম সাবান ও ওয়াশিং পাউডার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেখানে নিম্নমানের রাসায়নিক ব্যবহার করে এসব পণ্য তৈরি করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করিমের ৫ তলা ভবনের পাশের বাগান মার্কেট এলাকায় গড়ে ওঠা এই কারখানায় দিন-রাত সাবান ও ওয়াশিং পাউডার উৎপাদন করা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, কারখানাটির কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, বিএসটিআই, ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ভ্যাট সংক্রান্ত কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল ও রং ব্যবহার করে সাবান ও ওয়াশিং পাউডার তৈরি করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব রাসায়নিক মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। উৎপাদিত পণ্য পরে বিভিন্ন প্যাকেটে বাজারজাত করা হয়।

আরও জানা যায়, কারখানাটিতে অধিকাংশ শ্রমিকই শিশু ও কিশোর বয়সী। তারা কম মজুরিতে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছে কারখানাটি।

কারখানার কয়েকজন কর্মচারী জানান, তারা মাসিক বেতনে কাজ করেন এবং মালিকের নির্দেশ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। এ বিষয়ে কারখানার মালিক মো. সুলতান আহমেদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তিনি প্রথমে বিভিন্ন অজুহাত দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ঝুঁকি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদনহীন কারখানায় তৈরি নিম্নমানের সাবান ও ওয়াশিং পাউডার ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বাজারে বিক্রি হওয়া পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।