গাজীপুর , রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :

পবিত্র মাহে রমজানে দেশবাসীকে অভিনন্দন তাজুল ইসলাম জিরো-এর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭ Time View

মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সুমহান বার্তা নিয়ে আবারও সমাগত হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। এ উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই-বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের সুনামধন্য গীতিকার, সুরকার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর নিয়মিত শিল্পী মোঃ তাজুল ইসলাম জিরো।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “বছর ঘুরে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস মাহে রমজান। এই মাস কেবল রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক অনন্য সুযোগ।”

তিনি উল্লেখ করেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার রাতে পবিত্র তারাবির নামাজের মধ্য দিয়ে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে প্রথম সেহরি গ্রহণ এবং সূর্যাস্তের পর প্রথম ইফতারের মাধ্যমে শুরু হবে সিয়াম সাধনা। মুসলিম উম্মাহ এক মাসব্যাপী সিয়াম, কিয়াম ও ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে আত্মনিয়োগ করবেন।

তাজুল ইসলাম জিরো বলেন, হাদিসে বর্ণিত আছে—মহান আল্লাহ তাআলা ১১ মাস বান্দাদের জন্য রেখেছেন, আর এক মাস রেখেছেন তাঁর বিশেষ আনুগত্য ও রহমত লাভের জন্য। রোজা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মুসলিম নর-নারীর ওপর ফরজ। রোজার প্রতিদান মহান আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন—এ ঘোষণাই রোজার মাহাত্ম্যকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র রমজান মাসেই লাইলাতুল কদরের মহিমান্বিত রাতে নাজিল হয়েছে পবিত্র আল-কোরআন। এই রজনী হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। আমাদের দেশে ২৭তম রমজানের রাতটি লাইলাতুল কদর হিসেবে ব্যাপকভাবে পালন করা হয়। তবে মূল শিক্ষা হলো—রমজানের প্রতিটি রাত-দিন ইবাদত, তওবা ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে কাটানো।

নিজ বক্তব্যে তিনি সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, “রমজান মাস দান-সদকা, যাকাত ও ফিতরা আদায়ের মাস। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। রোজা কেবল ক্ষুধার অনুভূতি নয়, এটি অভাবী মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করার শিক্ষা দেয়।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক বিভাজন, হিংসা-বিদ্বেষ ও অনৈতিকতার বিস্তার রোধে রমজানের শিক্ষাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর দিকনির্দেশনা। রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।

তাজুল ইসলাম জিরো আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতার সঙ্গে ২০২৬ সালের মাহে রমজান পালিত হবে। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করেন।

শেষে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা সবাই রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করি, নামাজ আদায় করি, তওবা-ইস্তেগফার করি এবং মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সিয়াম ও ইবাদত কবুল করুন—আমিন।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

পীরগঞ্জে ৩.৫ কোটি টাকায় ১৩ কিমি খাল পুনঃখনন উদ্বোধন

পবিত্র মাহে রমজানে দেশবাসীকে অভিনন্দন তাজুল ইসলাম জিরো-এর

Update Time : ০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সুমহান বার্তা নিয়ে আবারও সমাগত হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। এ উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসে বসবাসরত সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান ভাই-বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের সুনামধন্য গীতিকার, সুরকার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর নিয়মিত শিল্পী মোঃ তাজুল ইসলাম জিরো।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “বছর ঘুরে আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে আত্মশুদ্ধি, সংযম ও তাকওয়া অর্জনের মাস মাহে রমজান। এই মাস কেবল রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি আত্মসংযম, ধৈর্য, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক অনন্য সুযোগ।”

তিনি উল্লেখ করেন, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার রাতে পবিত্র তারাবির নামাজের মধ্য দিয়ে রমজানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি ভোররাতে প্রথম সেহরি গ্রহণ এবং সূর্যাস্তের পর প্রথম ইফতারের মাধ্যমে শুরু হবে সিয়াম সাধনা। মুসলিম উম্মাহ এক মাসব্যাপী সিয়াম, কিয়াম ও ইবাদতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে আত্মনিয়োগ করবেন।

তাজুল ইসলাম জিরো বলেন, হাদিসে বর্ণিত আছে—মহান আল্লাহ তাআলা ১১ মাস বান্দাদের জন্য রেখেছেন, আর এক মাস রেখেছেন তাঁর বিশেষ আনুগত্য ও রহমত লাভের জন্য। রোজা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মুসলিম নর-নারীর ওপর ফরজ। রোজার প্রতিদান মহান আল্লাহ নিজ হাতে প্রদান করবেন—এ ঘোষণাই রোজার মাহাত্ম্যকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, পবিত্র রমজান মাসেই লাইলাতুল কদরের মহিমান্বিত রাতে নাজিল হয়েছে পবিত্র আল-কোরআন। এই রজনী হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। আমাদের দেশে ২৭তম রমজানের রাতটি লাইলাতুল কদর হিসেবে ব্যাপকভাবে পালন করা হয়। তবে মূল শিক্ষা হলো—রমজানের প্রতিটি রাত-দিন ইবাদত, তওবা ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে কাটানো।

নিজ বক্তব্যে তিনি সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবানদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে বলেন, “রমজান মাস দান-সদকা, যাকাত ও ফিতরা আদায়ের মাস। অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে আসা আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। রোজা কেবল ক্ষুধার অনুভূতি নয়, এটি অভাবী মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করার শিক্ষা দেয়।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক বিভাজন, হিংসা-বিদ্বেষ ও অনৈতিকতার বিস্তার রোধে রমজানের শিক্ষাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর দিকনির্দেশনা। রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।

তাজুল ইসলাম জিরো আশা প্রকাশ করেন, যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতার সঙ্গে ২০২৬ সালের মাহে রমজান পালিত হবে। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, শান্তি, সমৃদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করেন।

শেষে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা সবাই রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করি। বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করি, নামাজ আদায় করি, তওবা-ইস্তেগফার করি এবং মানবকল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের সিয়াম ও ইবাদত কবুল করুন—আমিন।”