
মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি
দিনাজপুরের বিরামপুরে জিআর চাল বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন এমপি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের সহায়তায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন ২০২৬) দুপুরে বিরামপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে এক আলোচনা সভা ও সরকারি ত্রাণ (জিআর) চাল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিনা খাতুন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান রাজা মাস্টার, বিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী চৌধুরী রুবেল এবং উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. কামর সেলিম।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর-নবাবগঞ্জ সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মো. শাহানুর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব শিরোন আলম, কাটলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাজির হোসেন, দিওড় ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মো. রেজওয়ান আলীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং স্থানীয় সুধীজনও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, “ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ বা দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। বিপদগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় রাজনৈতিক পরিচয় বড় বিষয় নয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নিরপেক্ষভাবে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে হবে এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।”
পরে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিরামপুরে জিআর চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারের এই সহায়তা কর্মসূচিকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ত্রাণ সহায়তা কর্মসূচি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Reporter Name 


















