গাজীপুর , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

সালথা উপজেলায় শক্ত অবস্থানে সেনাবাহিনী, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩২ Time View

সালথা (ফরিদপুর), প্রতিবেদক:

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ রামকান্তপুর ও নারানদিয়া বাজার এলাকায় নির্বাচন-পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। যৌথ অভিযানে সংঘর্ষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে রাজনৈতিক ও স্থানীয় পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা এবং দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজনৈতিক দল ও শান্তিকামী জনপ্রতিনিধিরা চেষ্টা চালালেও তা ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সালথা আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় দিন ও রাতব্যাপী যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা না গেলেও তাদের বাড়ি থেকে ঢাল, চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উপজেলায় যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও অরাজকতা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী জানায়, দাঙ্গা বা অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আনা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

সালথা উপজেলায় শক্ত অবস্থানে সেনাবাহিনী, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

Update Time : ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সালথা (ফরিদপুর), প্রতিবেদক:

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ রামকান্তপুর ও নারানদিয়া বাজার এলাকায় নির্বাচন-পরবর্তী সংঘর্ষের ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। যৌথ অভিযানে সংঘর্ষে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে রাজনৈতিক ও স্থানীয় পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা এবং দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজনৈতিক দল ও শান্তিকামী জনপ্রতিনিধিরা চেষ্টা চালালেও তা ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় সালথা আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় দিন ও রাতব্যাপী যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন কয়েকটি গ্রামে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা না গেলেও তাদের বাড়ি থেকে ঢাল, চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উপজেলায় যেকোনো ধরনের সহিংসতা ও অরাজকতা প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সেনাবাহিনী জানায়, দাঙ্গা বা অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের যে কোনো মূল্যে আইনের আওতায় আনা হবে।