
নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
নবীগঞ্জে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সুলতান মাহমুদের পিতা আলহাজ্ব মদরিছ মিয়া (৮০) এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। নবীগঞ্জ সাংবাদিকের পিতা মৃত্যু এবং মদরিছ মিয়া মৃত্যু শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই শোক প্রকাশ করছেন।
মরহুম আলহাজ্ব মদরিছ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (২২ জুন ২০২৬) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর পর মরহুমের মরদেহ নবীগঞ্জে আনা হয় এবং স্থানীয় আজলপুর ঈদগাহ ময়দানে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন হাফেজ মাওলানা লোকমান আহমদ। জানাজায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। বিশেষ করে সাংবাদিক মহল এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজে নবীগঞ্জ সাংবাদিকের পিতা মৃত্যু নিয়ে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে।
মরহুম আলহাজ্ব মদরিছ মিয়া ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবামূলক মনোভাবসম্পন্ন ব্যক্তি। তিনি জীবদ্দশায় এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা একজন অভিভাবককে হারানোর বেদনা অনুভব করছেন।
স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সংগঠন মদরিছ মিয়া মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
এদিকে নবীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মরহুমের জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে বলে জানা গেছে। এলাকার মানুষ বলছেন, তাঁর মৃত্যুতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

Reporter Name 
















