গাজীপুর , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

ঠাকুরগাঁওয়ে গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি, অধিক লাভের আশায় কৃষকদের ঝোঁক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫১ Time View

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | মো. আরফান আলী :

ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার ও বিক্রি করা হচ্ছে। জেলার পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ ও হরিপূরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে ভ্যানযোগে গমের কাঁচা ঘাস গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

স্থানীয় কৃষকেরা অধিক লাভের আশায় গম ফসল পাকার আগেই খেতের গম ঘাস আকারে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে গম দানা হিসেবে ঘরে তোলার পরিবর্তে কাঁচা অবস্থায় গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার বাড়ছে।

কৃষকদের ভাষ্যমতে, গম ফসল পরিপক্ব করে বিক্রি করলে এক বিঘা (প্রায় ৫০ শতাংশ) জমি থেকে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু একই জমির গম ঘাস হিসেবে দুই দফায় বিক্রি করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব হচ্ছে। এ কারণে অনেক কৃষক গম পাকার জন্য অপেক্ষা না করে আগেই ঘাস হিসেবে বিক্রি করছেন।

স্থানীয় বাজারে গিনি ঘাস, পারা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস ও ভুট্টার ঘাস পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকার পরও দানাদার খাদ্যশস্য গম গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর বলেন,

“যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে, সেটাই তারা উৎপাদন ও ব্যবহার করে।”

এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশনের নির্বাহী পরিচালক, কবি ও সাংবাদিক জানান, গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে গম নির্ভরশীল বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গম থেকে সুজি, বার্লি, সাগু, আটা ও ময়দাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হয়। তাই গম শস্যের এ ধরনের ব্যবহার নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

ঠাকুরগাঁওয়ে গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি, অধিক লাভের আশায় কৃষকদের ঝোঁক

Update Time : ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি | মো. আরফান আলী :

ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহার ও বিক্রি করা হচ্ছে। জেলার পীরগঞ্জ, লোহাগাড়া, সেনুয়া, নাককাটি, কাতিহার, নেকমরদ, রাণীশংকৈল, জাবরহাট, গোগর, শিবগঞ্জ ও হরিপূরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে ভ্যানযোগে গমের কাঁচা ঘাস গো-খাদ্য হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

স্থানীয় কৃষকেরা অধিক লাভের আশায় গম ফসল পাকার আগেই খেতের গম ঘাস আকারে পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছেন। ফলে গম দানা হিসেবে ঘরে তোলার পরিবর্তে কাঁচা অবস্থায় গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার বাড়ছে।

কৃষকদের ভাষ্যমতে, গম ফসল পরিপক্ব করে বিক্রি করলে এক বিঘা (প্রায় ৫০ শতাংশ) জমি থেকে প্রায় ২২ হাজার টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু একই জমির গম ঘাস হিসেবে দুই দফায় বিক্রি করলে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব হচ্ছে। এ কারণে অনেক কৃষক গম পাকার জন্য অপেক্ষা না করে আগেই ঘাস হিসেবে বিক্রি করছেন।

স্থানীয় বাজারে গিনি ঘাস, পারা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস ও ভুট্টার ঘাস পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকার পরও দানাদার খাদ্যশস্য গম গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারের বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আলমগীর কবীর বলেন,

“যেটা কৃষক লাভজনক মনে করে, সেটাই তারা উৎপাদন ও ব্যবহার করে।”

এদিকে বাংলাদেশ পল্লী ফেডারেশনের নির্বাহী পরিচালক, কবি ও সাংবাদিক জানান, গম শস্য গো-খাদ্য হিসেবে ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে গম উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। এতে গম নির্ভরশীল বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও খাদ্য সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গম থেকে সুজি, বার্লি, সাগু, আটা ও ময়দাসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হয়। তাই গম শস্যের এ ধরনের ব্যবহার নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।