গাজীপুর , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সিলেট রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর রতন শেখ রামিসা হত্যা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ড, সন্তুষ্ট দেশবাসী ও পরিবার বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ ১০ আসামি গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে উজ্জ্বল মিয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি ছড়াল বাসন থানা পুলিশের অভিযানে অস্ত্র-মাদকসহ ৫ আসামি গ্রেফতার ইসলামী ব্যাংক নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কালিয়াকৈরে মানববন্ধন উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গোলাগুলি, উদ্ধার অস্ত্র ও ইয়াবা চাঁদার দাবিতে হুমকি, মৎস্য খামার নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি কর্ণফুলীতে জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠকসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটকে স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিল্প
ভোটের হাওয়া
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব নেত্রকোণা ছাত্রদল কমিটিতে সহ-সভাপতি হলেন গোলাম কিবরিয়া বিএমডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে হাসান জাফির তুহিন যোগদান রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদল কমিটি বাতিলের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগ এসআইআর বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ ঢাকা উত্তর সিটিতে বিএনপি নেতার ত্যাগ ও অবদান পার্বত্য তিন জেলা পরিষদ নির্বাচন: প্রধানমন্ত্রীর কাছে সমঅধিকার দাবি কালিয়াকৈরে মানবিক নেতা সাইজুদ্দিন আহমেদ কালিয়াকৈর পৌরসভা: দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত উদ্যোগে জসিম উদ্দিন চট্টগ্রামে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মিদের খুঁজছে পুলিশ

এসআইআর বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮২ Time View

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম পর্যায়ে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই ভোটগ্রহণকে অনেকেই “ঐতিহাসিক নির্বাচন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল নজরকাড়া। অনেক কেন্দ্রেই ৯৪ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে, যা দেশের স্বাধীনতার পর অন্যতম সর্বোচ্চ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই নির্বাচনের আগে এসআইআর ভোটার তালিকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভোট দিতে না পারলে ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

নির্বাচনের দিন কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে ভোটারদের একটি বড় অংশ এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এই বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

এই সময় রাজ্যে প্রচারে অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah। তারা দাবি করেন, বিপুল ভোট পড়া রাজ্যের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি বৈধ ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।

এই নির্বাচনে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদসহ মোট ১৬টি জেলায় ভোটগ্রহণ হয়। অনেক ভোটারের অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম হঠাৎ বাদ পড়েছে। এমনকি একই পরিবারের মধ্যে সন্তানদের নাম থাকলেও পিতার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ বেশি উঠে এসেছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার গঠন করতে পারলে বঞ্চিত ভোটারদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, এসআইআর বিতর্কের মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় এটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সিলেট রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর রতন শেখ

এসআইআর বিতর্কে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণ

Update Time : ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন প্রথম পর্যায়ে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই ভোটগ্রহণকে অনেকেই “ঐতিহাসিক নির্বাচন” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল নজরকাড়া। অনেক কেন্দ্রেই ৯৪ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে, যা দেশের স্বাধীনতার পর অন্যতম সর্বোচ্চ বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই নির্বাচনের আগে এসআইআর ভোটার তালিকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় ও উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভোট দিতে না পারলে ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

নির্বাচনের দিন কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে ভোটারদের একটি বড় অংশ এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারাও এই বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন।

এই সময় রাজ্যে প্রচারে অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah। তারা দাবি করেন, বিপুল ভোট পড়া রাজ্যের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপি বৈধ ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।

এই নির্বাচনে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদসহ মোট ১৬টি জেলায় ভোটগ্রহণ হয়। অনেক ভোটারের অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম হঠাৎ বাদ পড়েছে। এমনকি একই পরিবারের মধ্যে সন্তানদের নাম থাকলেও পিতার নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ বেশি উঠে এসেছে। এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার গঠন করতে পারলে বঞ্চিত ভোটারদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সব মিলিয়ে, এসআইআর বিতর্কের মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় এটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।