গাজীপুর , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
পাঁচবিবিতে ৭০ ছাত্রী পেল বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ পেল ২০০ শিক্ষার্থী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ঠাকুরগাঁওয়ে ইয়াবা উদ্ধার: ১০০ কিলোমিটার ধাওয়া করে ট্রাকচালক আটক বাসন থানার অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচ, গাঁজা ও ডাকাতি মামলার আসামি নওগাঁয় ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক, জুয়ায় হেরে গ্রেপ্তার ৬ নবাবগঞ্জে গাছের ডাল পড়ে আরোহীর মৃত্যু, ছেলে গুরুতর আহত পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বাসনে সোহেলকে ঘিরে প্রশ্ন সরাইল–নাসিরনগর–লাখাই সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ময়মনসিংহে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ পালিত বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে আকাশ মাহমুদের বহুমুখী পথচলা
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বাসনে সোহেলকে ঘিরে প্রশ্ন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬৬ Time View

গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সোহেল নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সোহেলের বক্তব্য জানা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হওয়া জরুরি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসন থানার বিভিন্ন এলাকায় সোহেল নিজেকে পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচয় দেন। কখনো কখনো তিনি প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষকে ভয় দেখান এবং বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করেন—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

চাঁদাবাজির অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফুটপাত, লেগুনা স্ট্যান্ড, অটোরিকশা, ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নির্মাণাধীন ভবনের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা দাবি করা হয়। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বাসন থানা পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া বা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুলিশের নাম ব্যবহার করে কেউ ভয় দেখালে সাধারণ মানুষ অনেক সময় থানায় অভিযোগ করতেও সাহস পান না। ফলে এ ধরনের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

সোহেলের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক কারবার এবং জুয়ার আসর নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিয়মিত সুবিধা নেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো মামলা, নথি বা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নিরীহ যুবকদের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, পুলিশের নাম ব্যবহার করায় অনেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে বলতে ভয় পান।

পুলিশের নাম ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো কর্মকর্তা বা সদস্যের অনুমোদন ছাড়া কেউ যদি নিজেকে পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখান বা টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পুলিশের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

বাসন থানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানা। জিএমপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বাসন থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগাযোগ নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে বাসন থানা এলাকায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তারের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা ও আইনগত ব্যবস্থার তথ্য জানানো হয়।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সোহেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি সত্যিই পুলিশের কোনো বৈধ সোর্স হিসেবে কাজ করেন কি না, করলে তার দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা কী এবং তার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কোনো অপরাধ করছে কি না—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার।

অভিযোগের বিষয়ে বাসন থানা পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশের নাম বা ‘সোর্স’ পরিচয় ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি বা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোহেলের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলোকে সত্য হিসেবে নয়, অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে নির্দোষ কেউ জড়িত না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করা হবে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বজায় থাকবে এবং পুলিশের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ কমবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Motaleb Hossain

Popular Post

পাঁচবিবিতে ৭০ ছাত্রী পেল বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ পেল ২০০ শিক্ষার্থী

পুলিশের সোর্স পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, বাসনে সোহেলকে ঘিরে প্রশ্ন

Update Time : ০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সোহেল নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সোহেলের বক্তব্য জানা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হওয়া জরুরি।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বাসন থানার বিভিন্ন এলাকায় সোহেল নিজেকে পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে পরিচয় দেন। কখনো কখনো তিনি প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষকে ভয় দেখান এবং বিভিন্ন বিষয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করেন—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

চাঁদাবাজির অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফুটপাত, লেগুনা স্ট্যান্ড, অটোরিকশা, ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং নির্মাণাধীন ভবনের মালিকদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা দাবি করা হয়। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বাসন থানা পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেওয়া বা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পুলিশের নাম ব্যবহার করে কেউ ভয় দেখালে সাধারণ মানুষ অনেক সময় থানায় অভিযোগ করতেও সাহস পান না। ফলে এ ধরনের অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

মাদক ও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

সোহেলের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক কারবার এবং জুয়ার আসর নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে নিয়মিত সুবিধা নেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো মামলা, নথি বা পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নিরীহ যুবকদের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, পুলিশের নাম ব্যবহার করায় অনেকে বিষয়টি প্রকাশ্যে বলতে ভয় পান।

পুলিশের নাম ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশ পুলিশের কোনো কর্মকর্তা বা সদস্যের অনুমোদন ছাড়া কেউ যদি নিজেকে পুলিশের ‘সোর্স’ পরিচয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখান বা টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পুলিশের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।

বাসন থানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি থানা। জিএমপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বাসন থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগাযোগ নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে বাসন থানা এলাকায় পুলিশ পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তারের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা ও আইনগত ব্যবস্থার তথ্য জানানো হয়।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সোহেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তিনি সত্যিই পুলিশের কোনো বৈধ সোর্স হিসেবে কাজ করেন কি না, করলে তার দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতা কী এবং তার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ কোনো অপরাধ করছে কি না—এসব বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার।

অভিযোগের বিষয়ে বাসন থানা পুলিশের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পুলিশের নাম বা ‘সোর্স’ পরিচয় ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি বা সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার সুযোগ নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত সোহেলের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আদালতের রায় বা চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলোকে সত্য হিসেবে নয়, অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে এবং কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের সঙ্গে নির্দোষ কেউ জড়িত না থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করা হবে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বজায় থাকবে এবং পুলিশের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ কমবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।