গাজীপুর , রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগ বাসন থানার অভিযানে ইয়াবাসহ ছয় আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ কালিয়াকৈরে পিচ্চি আকাশ গ্রেপ্তার, ১৮ মামলার আসামির অস্ত্র উদ্ধার নাসিরনগরে জাল টাকা উদ্ধার: ১২টি নোটসহ একজন গ্রেপ্তার মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান হলেন চট্টগ্রাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতে ২৪৫ কোটি টাকার প্রস্তাব গাজীপুরে ড্রেন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা চাইলেন এলাকাবাসী উত্তরায় বাস দুর্ঘটনায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবিতে ক্ষোভ দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা রাঙ্গামাটি হাসপাতালে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডা. ওমর ফারুকের অবসর
ভোটের হাওয়া
দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল মান্দা যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল: অপপ্রচার ও অশিষ্ট রাজনীতির প্রতিবাদ গাজীপুরে তারেক জিয়া পরিষদের ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা নাসিরনগরে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন, থানায় মামলা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর নতুন সিদ্ধান্তে তরিকুল ইসলাম সজিব নেত্রকোণা ছাত্রদল কমিটিতে সহ-সভাপতি হলেন গোলাম কিবরিয়া

ঈদকে ঘিরে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ১০৪ Time View

এনামুল হক, ফরিদপুর উপজেলা (পাবনা) প্রতিনিধি:

আসন্ন ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঈদ বাজার। বিশেষ করে বিলচান্দক জিরে পয়েন্ট এলাকায় এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে চলছে কেনাবেচার ব্যস্ততা। এই ব্যস্ত সময়েই চোখে পড়ার মতো একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা গেছে বিলচান্দক ইনসাফ প্রাং এর একটি দোকানে, যেখানে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা স্থানীয়দের মাঝে দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে তিন মেয়ে তাদের বাবার ব্যবসায় সরাসরি অংশ নিয়েছে। তারা শুধু দোকানে বসেই নেই, বরং সক্রিয়ভাবে ক্রেতাদের পণ্য দেখানো, বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং হিসাব-নিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সামলাচ্ছে। ফলে ঈদ বাজারের চাপ সামলাতে দোকান মালিকের অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে।

দোকান মালিক জানান, “ঈদের সময় দোকানে প্রচুর ভিড় হয়। একা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু মেয়েরা পাশে থাকায় কাজ অনেক সহজ হয়ে গেছে। তাদের আগ্রহ ও পরিশ্রম আমাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করছে।”

তিন মেয়ের একজন বলেন, “আমরা ছোট থেকেই বাবার কষ্ট দেখেছি। তাই ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে বাবার পাশে দাঁড়ানোকে আমাদের দায়িত্ব মনে করেছি। এতে যেমন বাবার কাজ সহজ হচ্ছে, তেমনি আমাদেরও ভালো লাগছে।”

স্থানীয় ক্রেতারাও এই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ। তারা জানান, বর্তমান সমাজে যেখানে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, সেখানে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এটি পারিবারিক বন্ধন ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, এমন উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের মাঝে পারিবারিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ঈদ বাজারের ব্যস্ততার মধ্যেও এই মানবিক ও অনুপ্রেরণামূলক দৃশ্যটি সবার মন ছুঁয়ে গেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

গাজীপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলা, মোবাইল ছিনতাইচেষ্টার অভিযোগ

ঈদকে ঘিরে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা, ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত

Update Time : ০৩:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

এনামুল হক, ফরিদপুর উপজেলা (পাবনা) প্রতিনিধি:

আসন্ন ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ঈদ বাজার। বিশেষ করে বিলচান্দক জিরে পয়েন্ট এলাকায় এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে চলছে কেনাবেচার ব্যস্ততা। এই ব্যস্ত সময়েই চোখে পড়ার মতো একটি ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখা গেছে বিলচান্দক ইনসাফ প্রাং এর একটি দোকানে, যেখানে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা স্থানীয়দের মাঝে দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে তিন মেয়ে তাদের বাবার ব্যবসায় সরাসরি অংশ নিয়েছে। তারা শুধু দোকানে বসেই নেই, বরং সক্রিয়ভাবে ক্রেতাদের পণ্য দেখানো, বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা এবং হিসাব-নিকাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো দক্ষতার সঙ্গে সামলাচ্ছে। ফলে ঈদ বাজারের চাপ সামলাতে দোকান মালিকের অনেকটাই স্বস্তি মিলেছে।

দোকান মালিক জানান, “ঈদের সময় দোকানে প্রচুর ভিড় হয়। একা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু মেয়েরা পাশে থাকায় কাজ অনেক সহজ হয়ে গেছে। তাদের আগ্রহ ও পরিশ্রম আমাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করছে।”

তিন মেয়ের একজন বলেন, “আমরা ছোট থেকেই বাবার কষ্ট দেখেছি। তাই ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে বাবার পাশে দাঁড়ানোকে আমাদের দায়িত্ব মনে করেছি। এতে যেমন বাবার কাজ সহজ হচ্ছে, তেমনি আমাদেরও ভালো লাগছে।”

স্থানীয় ক্রেতারাও এই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ। তারা জানান, বর্তমান সমাজে যেখানে অনেকেই পরিবার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, সেখানে বাবার দোকানে তিন মেয়ের সহায়তা একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। এটি পারিবারিক বন্ধন ও দায়িত্ববোধের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

সমাজ বিশ্লেষকদের মতে, এমন উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের মাঝে পারিবারিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ঈদ বাজারের ব্যস্ততার মধ্যেও এই মানবিক ও অনুপ্রেরণামূলক দৃশ্যটি সবার মন ছুঁয়ে গেছে।