গাজীপুর , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন আউশকান্দিতে শিক্ষার অগ্রগতি ও গভর্নিং বডি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় মিরসরাইয়ে বিএনপি নেতা আলীউল কবিরের চেয়ারম্যান মনোনয়ন চাওয়া ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ রিফাত বিন হামিদ রাফি রোবটিক্স ও STEM অলিম্পিয়াডে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে চ্যাম্পিয়ন ক্ষমতাপুর শাপলা বয়েজ ক্লাব প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ, বাধা দেওয়ায় হামলার দাবি ধামইরহাট চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন হাসপাতালে সুজনের খোঁজ নিলেন নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি আমিনুল ইসলামের
ভোটের হাওয়া
সোনাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সরোয়ার হোসেনের দোয়া-সমর্থন বাটাজোড়ের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী আনোয়ারা বেগম পত্নীতলায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল আনন্দ র‍্যালি গাইবান্ধায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি পাঁচুপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নির্বাচন: গণসংযোগে ব্যস্ত নিয়ামত আলী বাবু দোয়ারাবাজারে রেজাউল করিমকে ঘিরে বাড়ছে জনআলোচনা সোনাপুরে মানবিক কর্মকাণ্ডে জনসমর্থন পাচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ছারোয়ার সরিকল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম মৃধাকে ঘিরে আলোচনা ২৩ জুনকে ঘিরে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন আহমদ শফিক শুভ বাসন থানায় পুলিশের জালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটন মন্ডল

পাটগ্রাম, জমি দখল, লালমনিরহাট, আদালতের ১৪৪ ধারা, সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৪৫ Time View

আব্দুস সামাদ পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট জেলার Pাটগ্রাম উপজেলায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, আদালতের ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও একটি পক্ষ জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছে।

সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ২১ জুন রবিবার। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি জানান, তিনি আইনসম্মতভাবে ক্রয়কৃত ৩.৩১ শতাংশ জমির দখল ও সুরক্ষা চান। তার দাবি অনুযায়ী, তিনি মোট ১২.৩১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলেন নুরুন্নবী ইসলামের কাছ থেকে। পরবর্তীতে তিনি সেই জমির একটি অংশ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন।

তিনি বলেন, তিনি ২ শতাংশ জমি উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুলের কাছে, ৩ শতাংশ জমি নজরুল ইসলাম রবিনের কাছে এবং ৪ শতাংশ জমি আবুল কালাম আজাদের কাছে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করার পর বর্তমানে তার মালিকানায় অবশিষ্ট রয়েছে ৩.৩১ শতাংশ জমি।

এই জমির তফসিল অনুযায়ী—মৌজা রসুলগঞ্জ, বিএস খতিয়ান নং ১৬৬, মিউটেশন খতিয়ান নং ২৬৯১, বিএস দাগ নং ৩০৪৩ এবং মোট জমির পরিমাণ ৩.৩১ শতাংশ।

অভিযোগে বলা হয়, বর্তমানে এই জমিতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তারপরও আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যা আফরোজ আক্তার এবং তার সহযোগীরা জোরপূর্বক ওই জমিতে বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত পরিবারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ সরকারিভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। বক্তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে বেআইনি দখল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি আদালত ও প্রশাসনের নজরে রয়েছে এবং দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

অভিযোগকারী বদরুল আলম মজুমদার প্রশাসনের কাছে তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। তিনি আদালতের ১৪৪ ধারা বাস্তবায়ন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার বৈধ মালিকানাধীন জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলের নিশ্চয়তা চান।

তিনি আরও বলেন, তিনি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা চান না। তিনি শুধু আইনের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। তার মতে, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত সমাধান আনা হবে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

রাঙামাটি সদর জোনে বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ-২০২৬ উদ্বোধন

পাটগ্রাম, জমি দখল, লালমনিরহাট, আদালতের ১৪৪ ধারা, সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আব্দুস সামাদ পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:

লালমনিরহাট জেলার Pাটগ্রাম উপজেলায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, আদালতের ১৪৪ ধারা থাকা সত্ত্বেও একটি পক্ষ জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছে।

সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় ২১ জুন রবিবার। সেখানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বদরুল আলম মজুমদার। তিনি জানান, তিনি আইনসম্মতভাবে ক্রয়কৃত ৩.৩১ শতাংশ জমির দখল ও সুরক্ষা চান। তার দাবি অনুযায়ী, তিনি মোট ১২.৩১ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিলেন নুরুন্নবী ইসলামের কাছ থেকে। পরবর্তীতে তিনি সেই জমির একটি অংশ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন।

তিনি বলেন, তিনি ২ শতাংশ জমি উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুলের কাছে, ৩ শতাংশ জমি নজরুল ইসলাম রবিনের কাছে এবং ৪ শতাংশ জমি আবুল কালাম আজাদের কাছে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ৯ শতাংশ জমি বিক্রি করার পর বর্তমানে তার মালিকানায় অবশিষ্ট রয়েছে ৩.৩১ শতাংশ জমি।

এই জমির তফসিল অনুযায়ী—মৌজা রসুলগঞ্জ, বিএস খতিয়ান নং ১৬৬, মিউটেশন খতিয়ান নং ২৬৯১, বিএস দাগ নং ৩০৪৩ এবং মোট জমির পরিমাণ ৩.৩১ শতাংশ।

অভিযোগে বলা হয়, বর্তমানে এই জমিতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। তারপরও আনারুল ইসলাম নাজুর কন্যা আফরোজ আক্তার এবং তার সহযোগীরা জোরপূর্বক ওই জমিতে বেড়া দিয়ে দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত পরিবারের মুক্তিযোদ্ধা সনদ সরকারিভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। বক্তার ভাষায়, এমন পরিস্থিতিতে বেআইনি দখল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি আদালত ও প্রশাসনের নজরে রয়েছে এবং দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

অভিযোগকারী বদরুল আলম মজুমদার প্রশাসনের কাছে তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। তিনি আদালতের ১৪৪ ধারা বাস্তবায়ন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার বৈধ মালিকানাধীন জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখলের নিশ্চয়তা চান।

তিনি আরও বলেন, তিনি কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা চান না। তিনি শুধু আইনের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। তার মতে, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত সমাধান আনা হবে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাট জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে।